ওঙ্কার ডেস্ক: ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে বেআইনিভাবে পোস্টাল ব্যালট বাছাইয়ের অভিযোগ ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছিল কলকাতার রাজনীতি। এবার রিটার্নিং অফিসারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস। কেন বেআইনিভাবে পোস্টাল ব্যালট বাছাই করা হচ্ছিল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জোড়াফুল শিবির।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে নিয়ম বহির্ভূত কাজের অভিযোগ তোলে তৃণমূল কংগ্রেস। এই স্ট্রংরুমে সন্দেহজনক গতিবিধির অভিযোগ তুলে ধরনায় বসেন বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ। তাঁর সঙ্গ দেন শ্যামপুকুরের প্রার্থী শশী পাঁজাও। পরে জোড়াসাঁকোর তৃণমূল প্রার্থী বিজয় উপাধ্যায় সেই ধরনায় সামিল হন। এ ছাড়াও তৃণমূলের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা হাজির হন। তারপর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র। নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করতে সাঁজোয়া গাড়ি, অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে কমিশনের তরফে। যেদিন বিশৃঙ্খলা হয়, সেদিন কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেছিলেন, ‘সাড়ে তিনটে পর্যন্ত স্ট্রংরুমের সামনে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা ছিলেন। কিন্তু তাঁদেরকে সরিয়ে দেওয়া হয়। মাঝে আমাদের ই-মেল পাঠিয়ে বলা হয় বিকেল চারটের সময় ফের খোলা হবে স্ট্রংরুম। আমরা তখন দলীয় কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারি তাঁরা সেখানে নেই। এর পর আমরা দু’জনে আসি।’
যদিও পরে তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ জানান, কমিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁদের। স্ট্রংরুমে কাউকে ঢোকাতে গেলে সেখানে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকতে হবে। জোড়া ফুল শিবিরের কর্মীদের অনুপস্থিতিতে কাউকে স্ট্রংরুমে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলেই কমিশন জানিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই আশ্বাসের পরে অবশ্য ধরনা তুলে নেন কুণাল শশী পাঁজারা।