ওঙ্কার ডেস্কঃ লেকটাউনে মেসির ৭০ ফুট দীর্ঘ মূর্তি বসানো হয়েছে। কিন্তু সেই মূর্তি কার জমিতে বসানো হয়েছে? রাজ্যকে এই নিয়ে প্রশ্ন করল উচ্চ আদালত। হাই কোর্ট জানতে চায়, মেসির মূর্তি কি সরকারি জমিতে বসানো হয়েছে না কি ব্যক্তিগত জমিতে?
যুবভারতীর ঘটনা নিয়ে হওয়া একাধিক জনস্বার্থ মামলার শুনানি সোমবার শেষ হল। সেই শুনানিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ মেসির মূর্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি সেন প্রশ্ন করেন, মেসির মূর্তি যে জায়গায় বসানো হয়েছে, সেটা কি ব্যক্তিগত জমি না সরকারি জমি? রাজ্যের তরফে আইনজীবী আদালতে জানান, মেসির মূর্তি ব্যক্তিগত উদ্যোগে সুজিত তৈরি করিয়েছেন।আদালতের প্রশ্ন, সরকারি জমিতে কি ব্যক্তিগত ভাবে কিছু করা যায়?
যুবভারতীর ঘটনায় অভিযুক্ত শতদ্রু দত্তের আইনজীবী দাবি করেছেন, আয়োজক হিসাবে মেসিকে যুবভারতীতে নিয়ে আসার যে দায়িত্ব ছিল শতদ্রু দত্তের। তা তিনি পালন করেছেন। অতিরিক্ত লোক কী ভাবে মাঠে প্রবেশ করেছিলেন, তার দায়িত্ব তো শতদ্রুর নয়। এদিকে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, ফুটবলতারকার নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং অন্য দুই মামলাকারীর তরফে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করানোর দাবি তোলা হয়েছে।
আদালতে রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সওয়াল, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। শাহরুখ খান, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় যে উপস্থিত থাকবেন, লিখিত ভাবে পুলিশকে তা জানানো হয়নি। পাশাপাশি তিনি জানান, মেসিকে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে। নিরাপত্তাকর্মী কত জন থকবেন, তা রাজ্যকে জানানো হয়নি। ৫০০ জনকে পাস দেন শতদ্রু।
এছাড়াও আরও একটি মামলা করা হয় হাই কোর্টে। মামলাকারী মৈনাক ঘোষাল আদালতের নজরদারিতে তদন্তের আর্জি করেন। পাশাপাশি দর্শকদের টিকিটের অর্থ ফেরত দেওয়া উচিত বলেও জানান তিনি। ইডি ও সিবিআইয়ের তদন্তের আবেদন জানিয়ে ওই মামলাকারীর দাবি, স্টেডিয়ামের ক্ষয়ক্ষতির অর্থও প্রদান করতে হবে আয়োজক সংস্থাকে।
