ওঙ্কার ডেস্ক: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের। দীর্ঘ দেড় দশকের জোড়াফুল শিবির জমানার অবসান হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। এই নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর দুই বিধানসভা কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুটি আসনেই জয়ী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। ঘরের কেন্দ্র ভবানীপুরে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারের গঠনের এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও নিজের পরাজয় মানতে পারছেন না তৃণমূল সুপ্রিমো। মঙ্গলবার ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর জয়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তিনি। এদিন হলফনামাও জমা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।
অন্যান্য দিনের মতো মঙ্গলবারও হাইকোর্টে কাজকর্ম চলছিল। তার মাঝে আচমকা দুপুরে আদালত চত্বরে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন। এদিন হাইকোর্টে হলফনামা দাখিল করেন মমতা। ভবানীপুর আসনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জয়কে চ্যালেঞ্জ করে সেই হলফনামা জমা দেন তিনি। উল্লেখ্য, নির্বাচনে ভরাডুবির পর এই নিয়ে দ্বিতীয় বার হাইকোর্টে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে গত ১৪ মে হাইকোর্টে গিয়েছিলেন তিনি। সে বারে ভোট পরবর্তী হিংসার মামলায় সওয়াল করতে আদালতে গিয়েছিলেন তিন বারের মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় বহু আইনজীবী বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন তাঁকে ঘিরে। এমনকি ‘চোর’ স্লোগানও দেওয়া হয়।
এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুরে শুভেন্দুর কাছে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাস্ত হন মমতা। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি। সেই ফল নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। যে মামলা এখনও বিচারাধীন। এ বার ২০২৬ সালের ভবানীপুরের ফলকে চ্যালেঞ্জ করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।