ওঙ্কার ডেস্ক: প্রথা অনুযায়ী বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান করা হয় বিরোধী দলের কোনও বিধায়ককে। কিন্তু তৃণমূল ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়ায় এখন এই পদ কার দখলে যাবে তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল গোষ্ঠীকে ইতিমধ্যে বিরোধী দলের মর্যাদা দিয়েছেন বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বোস। শুধু তাই নয়, তৃণমূল ভাঙিয়ে ৬৪জন বিধায়ককে নিয়ে পৃথক গোষ্ঠী করা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন স্পিকার। এই আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোষ্ঠীর তৃণমূল আর ঋতব্রত পন্থী তৃণমূলের মধ্যে এই আসন নিয়ে টানাটানি শুরু হল।
রাজ্যে নতুন সরকার তৈরি হওয়ার পর বিধানসভায় একাধিক কমিটি গঠন করা হয়। সাধারণত ১১টি স্ট্যান্ডিং কমিটি এবং ২০টি হাউস কমিটি তৈরি করা হয়। এই ২০টি হাউস কমিটির মধ্যে প্রয়োজন হলে চারটি কমিটিতে ভোটাভুটি হতে পারে। যার মধ্যে রয়েছে ‘পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি’। পিএসি-তে চেয়ারম্যান-সহ ওই কমিটিতে মোট সদস্য সংখ্যা ২০ জন। কিন্তু বিরোধী দল হিসেবে যেহেতু মমতাপন্থী বিধায়করাও নিজেদের দাবি করে আসছেন, এদিকে ঋতব্রতপন্থীদেরকেও বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন স্পিকার। তাই পিএসি চেয়ারম্যান পদের জন্য উভয় পক্ষ লড়াইয়ে নামছেন।
সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে নিজেদের তরফ থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ঋতব্রতপন্থী ও মমতাপন্থী তৃণমূল। সদস্য পদের জন্য কতগুলি মনোনয়ন জমা পড়ে তার ভিত্তিতে নির্বাচন হবে। যদি মনোনয়নের সংখ্যা নির্দিষ্ট আসন সংখ্যা অর্থাৎ ২০ এর বেশি হয় ভোটাভুটি অনিবার্য। আগামী ৫ জুলাই বেলা ১২টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত সেই ভোট হবে বলে বিধানসভা সূত্রে খবর। দুই শিবিরের এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কে শেষ হাসি হাসে তা সময়ই বলবে।