ওঙ্কার ডেস্ক: ক্ষমতায় ফিরে লালুদের বাড়ি বদলানোর নির্দেশ দিল নীতীশ কুমারের সরকার। ২০ বছর পর পাটনার ১০, সার্কুলার রোডের বাড়ি ছাড়তে হবে লালু ও রাবড়ি দেবীদের। সরকারের তরফে বাংলো ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে লালুর পরিবারকে বিকল্প বাংলোও দেওয়া হচ্ছে।
সূত্রের খবর, লালুর পরিবারকে ৩৯, হার্ডিং রোডের বাংলোতে যেতে বলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বিহারের রাজনীতিতে। ইতিমধ্যে আরজেডির তরফে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তোলা হয়েছে। পারিবারিক কোন্দলে দল এবং পরিবার ছাড়ার ঘোষণা করেছিলেন লালুকন্যা রোহিণী আচার্য। তিনি এই ঠিকানা বদলের নির্দেশ নিয়ে সরব হয়েছেন নীতীশ কুমারের সরকারের বিরুদ্ধে। রোহিণী সমাজ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘এটাই ‘সুশাসনবাবু’র উন্নয়নের মডেল। বহু মানুষের নেতা লালুপ্রসাদ যাদবকে অপমান করা তাঁর কাজ।’ রোহিণী আরও লেখেন, বাড়ি থেকে ওরা লালুপ্রসাদ যাদবকে তাড়াতে পারবে, কিন্তু বিহারের মানুষের মন থেকে কী ভাবে সরাবে?
উল্লেখ্য, লালুপত্নী রাবড়ী দেবী ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। ১০, সার্কুলার রোডের বাংলোটি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ী দেবীর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার যে বাড়িতে থাকেন তার থেকে অল্প দূরত্বে ছিল রাবড়ী দেবীর বাড়িটি। আরজেডি ক্ষমতায় না থাকলেও ওই বাড়িটিই ছিল লালুদের ঠিকানা। গত ২০ বছরে তাঁদেরকে ওই বাংলো থেকে উঠে যেতে বলা হয়নি। আরজেডি নেতা শক্তিসিংহ যাদব নীতীশ কুমার সরকারের এই নির্দেশের বিরোধিতা করেছেন। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘রাবড়ী দেবী বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নন শুধু, তিনি বিধান পরিষদের বর্তমান বিরোধী নেত্রী। কোন নিয়মে তাঁর বাড়ি বদলে দেওয়া হল?’
