ওঙ্কার ডেস্ক: ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার তিন মাস পর শুক্রবার ফল প্রকাশ হয়েছে। এ বছর মাধ্যমিকে প্রথম হয়েছেন উত্তর দিনাজপুর জেলার সারদা বিদ্যামন্দিরের ছাত্র অভিরূপ ভদ্র। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৮। পাশের হারে শীর্ষে রয়েছে কালিম্পং ( ৯৫.১০ শতাংশ)। তার পরে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর(৯৪.৮২ শতাংশ)।
৯ লক্ষ পরীক্ষার্থীর মধ্যে দ্বিতীয় হয়েছে একজন। বীরভূমের প্রিয়তোষ মুখোপাধ্যায়, তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৬। এ ছাড়া ৬৯৫ নম্বর পেয়ে তৃতীয় হয়েছে তিন জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সৌর জানা, পূর্ব মেদিনীপুরের অঙ্কন কুমার জানা, বাঁকুড়ার মৈনাক মণ্ডল। ৬৯৪ নম্বর পেয়ে চতুর্থ হয়েছে চার জন। পূর্ব মেদিনীপুরের অরিজিৎ বার, বাঁকুড়ার রোম কর্মকার, উত্তর দিনাজপুরের সৌদীপ দাস, উত্তর দিনাজপুরের সোহম জোয়ারদার।
পঞ্চম হয়েছেন সাত জন। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩। তারা হল নদিয়ার দ্বৈপায়ন বিশ্বাস, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সামান্ত্যক কুণ্ডু, আলিপুরদুয়ারের স্বরূপ কণ্ঠ, উত্তর দিনাজপুরের বেদশ্রুতি সিনহা, উত্তর দিনাজপুরের সমন্বয় দেবনাথ, দক্ষিণ দিনাজপুরের আয়ুষ সাহা, অনারণ্য সরকার।
৬৯২ পেয়ে ষষ্ঠ হয়েছে ১১ জন। উত্তর ২৪ পরগনার অদ্রিত গোস্বামী, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিদিশা হালদার, পশ্চিম মেদিনীপুরের শঙ্খদীপ মান্না, পূর্ব মেদিনীপুরের অর্ণব বর্মন, অগ্নিপ্রভ নন্দ, বাঁকুড়ার অগ্নিক মাল, সপ্তাশ্ব চট্টোপাধ্যায়, পূর্ব বর্ধমানের সৌমাল্য চন্দ্র, হুগলির অর্জয়িতা চক্রবর্তী, সোহিনী কোলে, রৌনক মিত্র।
সপ্তম স্থানে ১২ জন। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১। নদিয়ার দীপ্তরঙ্গ নাথ, বাঁকুড়ার শুচিস্মিতা পণ্ডিত, দেবাদৃতা সরকার, দক্ষিণ ২৪ পরগনার স্বর্ণাভ সর্দার, মুর্শিদাবাদের এএসএম সায়াদাতুল্লাহ, কোচবিহারের চম্পক দাসমুন্সি, পূর্ব বর্ধমানের শ্রীজা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঁকুড়ার অনিশ দাস, সৌমজ্যোতি দাস, অভিনব প্রতিহার, হুগলির অভিষিক্তা রায়, অভিরূপ দে।
অষ্টম ৩১ জন, প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০। হাওড়ার কুন্তল পাঞ্জা, পশ্চিম মেদিনীপুরের সঞ্চয়ন ভৌমিক, পশ্চিম মেদিনীপুরের অর্কপ্রভ পাল, পূর্ব মেদিনীপুরের তানিশা ফকির, কোচবিহারের স্নেহস্মিতা বর্মন, বাঁকুড়ার দিয়া পাল, উত্তর দিনাজপুরের মহাকাশ রায়, উত্তর দিনাজপুরের কমলেশ সরকার, দক্ষিণ দিনাজপুরের প্রজ্ঞা সাহা, পুরুলিয়ার মৈনাক চক্রবর্তী, দক্ষিণ ২৪ পরগনার জিবিতেশ কয়াল, পূর্ব মেদিনীপুরের সৌম্যকান্তি কুইলা, অনীক দাস, বাঁকুড়ার সুসার টুডু, শর্মিষ্ঠা গরাইন, শুভ্রনীল সিট, অপ্রতিম মণ্ডল, সৌমাল্য ঘোষ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সমন্বয় নস্কর, মালদহের চেতশী রায়, পশ্চিম বর্ধমানের শুভ্রদীপ মণ্ডল, মুর্শিদাবাদের জিসান হোসেন, শাহরিন সুলতানা, অনিকেত শীল, কোচবিহারের সূর্যস্নাত বর্মন, পূর্ব বর্ধমানের ঐশিক চক্রবর্তী, শুভ্রনীল মিস্ত্রি, উপায়ন পাল, হুগলির বোধিসত্ত্ব ঘোষ, সৌম্য সরকার, সাত্ত্বিকা চক্রবর্তী।
নবম স্থানে ২১ জন। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯। এই অবস্থানে রয়েছে হাওড়ার সায়ন পাত্র। পশ্চিম মেদিনীপুরের শরণ্য নায়েক, অনুষ্কা ভক্ত, সৌম্যদীপ মাইতি। পূর্ব মেদিনীপুরের অরিত্র আচার্য, স্নেহার্ঘ্য পাত্র, পুরুলিয়ার অদ্রিজ হাজরা, সায়ন কুম্ভকার, বাঁকুড়ার মৈনাক নাগ, ইন্দ্রনীল মণ্ডল, নদিয়ার আভাস সরকার, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সৌম্যদীপ চক্রবর্তী, তমোহা কুণ্ডু, হুগলির সম্বর্ত বেতাল, প্রত্যয় সামন্ত, উজান ঘোষ, কোচবিহারের শ্রীজা দেবনাথ, উত্তর দিনাজপুরের সৌম্যদীপ রায়, বিবেক সিংহ, প্রণয় দাস, মালদহের মহম্মদ তৌসিফ আফরোজ।
দশম অবস্থানে রয়েছে ৪০ জন পড়ুয়া। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। এই ধাপে রয়েছে মুর্শিদাবাদের কস্তুরী সিনহা, নদিয়ার তামিম মণ্ডল, উত্তর ২৪ পরগনার সৃজন দে সরকার, দক্ষিণ ২৪ পরগনার অয়ন হালদার, অনুরাগ মণ্ডল, শাশ্বত মাইতি, হাওড়ার সাগ্নিক ভৌমিক, শুচিস্মিতা চক্রবর্তী, পুরুলিয়ার দেব পাল, অর্কপ্রভ চক্রবর্তী, আদিত্য রাজ, শিবম আনন্দ, রুদ্রদীপ মণ্ডল, মৌনালি মণ্ডল, পশ্চিম মেদিনীপুরের ঐশী খামরাই, পূর্ব মেদিনীপুরের নয়নিকা পাল, সৌনক মাঝি, বাঁকুড়ার রূপম আচার্য, অর্ক মাইতি, অভিনন্দিতা জানা, সায়নী পিছলি, দেবাদৃতা কর, মুর্শিদাবাদের এসকে সাদ হোসেন, প্রত্যয় ঘোষ, শরব্য দেব, দ্যুতিমান দে, পূর্ব বর্ধমানের অর্কদীপ শীল, কৃষ্ণ নন্দী, সৌম্যজিৎ কুণ্ডু, অভিষেক মণ্ডল, অরিত্র চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক দাস, সৃজন দাস, কোচবিহারের সৌগত পাল, শ্রেয়সী সাহা, জলপাইগুড়ির অর্চিষ্মান মজুমদার, উত্তর দিনাজপুরের তানভীর সাকিব, প্রাঞ্জল মণ্ডল, মালদহের মনীষ ঘোষ, মহম্মদ সইদ আলম।