নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদা : বিজেপি কর্মী ও তাঁর স্ত্রীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল বৈষ্ণবনগর থানার কুম্ভিরা গ্রাম পঞ্চায়েতের হাদিনগর এলাকায়। গুরুতর আহত হয়ে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিজেপি কর্মী দিলীপ মন্ডল ও তার স্ত্রী সাদিকা মন্ডল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনের আগেই তাঁদের উপর তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। পরিবারের দাবি, তাঁরা বিজেপিকে ভোট দেওয়ার পর থেকেই পড়শিদের একাংশ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং একাধিকবার ভয় দেখানো হয়। অভিযোগ, আচমকাই হাসুয়া, লাঠি ও সোটা নিয়ে একদল দুষ্কৃতী তাঁদের বাড়ি ঘেরাও করে হামলা চালায়। বিজেপি কর্মী ও তাঁর স্ত্রী বাড়ির বাইরে থাকাকালীন তাঁদের লক্ষ্য করে অতর্কিতে হামলা করা হয় । মারধরে গুরুতর জখম হন দু’জনেই। বিজেপি কর্মীর স্ত্রীর মাথায় আঘাত লাগে বলেও জানা গিয়েছে। পাশাপাশি বাড়ির চারপাশে ইট ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।
দক্ষিণ মালদা বিজেপির সহ-সভাপতি তারক ঘোষ বলেন, “বিজেপি সমর্থক পরিবারের উপর যেভাবে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে, তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। তৃণমূল ভুলে গেছে তারা আর সরকারে নেই। প্রশাসনের কাছে আবেদন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হোক। আমরা পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকাও নজরে রাখছি।” আজকে বাংলার জনগণ এ তৃণমূলকে বাংলা থেকে উৎখাত করে দিয়েছে কিন্তু তৃণমূলের এখনো বেশ কিছু গুন্ডা রয়েছে তাদেরকেও ধরে জেলে ভড়তে হবে।
অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেস নেতা বিশ্বজিৎ ঘোষ জানান, “ঘটনার কথা শুনেছি। এখন কিছু হলেই তৃণমূল কংগ্রেসের নাম জড়ানো হচ্ছে। কাউকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আসল ঘটনা কী, তা পুলিশ তদন্ত করে দেখবে। আমরা যতদূর শুনেছি, এটি দুই প্রতিবেশীর মধ্যে গ্রাম্য বিবাদের ঘটনা।”