ওঙ্কার ডেস্ক: ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন নিয়ে সরগরম বঙ্গের রাজনীতি। বহু মানুষ তালিকায় নাম না থাকা নিয়ে এবং ভুল বানানের কারণে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু ভোটাররা নয়, অত্যাধিক কাজের চাপের অভিযোগ তুলে আত্মঘাতী হয়েছেন একাধিক বিএলও-ও। এই আবহে এসআইআর নিয়ে আরও এক বার মন্তব্য করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদের জনসভা থেকে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে বিঁধে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এসআইআর না করতে দিলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে দিত।’
বহরমপুরের জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, ‘এসআইআর নিয়ে ভয় পাবেন না। শুধু নিজেদের নথিগুলো জমা দিন। যদি এসআইআর না করতে দিতাম, তা হলে ভোট না করে ওরা রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করত। বুঝেছেন অমিত শাহের চালাকি? আমরা অত বোকা নই বাবুমশাই, গোদিভাই! আমরা করব, লড়ব। আমরা জিতে দেখাব। আমাদের ভাতে মারা যাবে না। সম্পত্তি কেড়ে নেওয়া যাবে না।’
পাশাপাশি এদিন মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, তাঁর জন্ম বীরভূমে না হলে তাঁকেও বাংলাদেশি বলত বিজেপি। মমতার কথায়, ‘ভাগ্যিস আমি বীরভূমে জন্মেছিলাম! নাহলে আমাকেও বাংলাদেশি বলত।’ এ রাজ্যে এনআরসি করতে দেওয়া হবে না বলেও সুর চড়ান তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি বলেন, ‘শুনে রাখুন, বাংলায় এনআরসি করতে দেব না। আমার গলা কেটে দিলেও এখানে কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প করতে দেব না, কাউকে তাড়াব না।’ রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘রোহিঙ্গা বাংলায় কোথা থেকে আসবে? রোহিঙ্গা তো আসবে মণিপুর, মিজোরাম, ত্রিপুরা দিয়ে। সীমান্ত, আইটিবিপি, বিএসএফ, পাসপোর্ট, ভিসা— সবই তো কেন্দ্রের হাতে। এখন দোষ দিলে হবে?’
