ওঙ্কার ডেস্ক: আগামী ১ এপ্রিল থেকে মূল্যবৃদ্ধি হতে চলেছে ৭৬৭টি ওষুধের। জাতীয় ওষুধ মূল্য নির্ধারণ প্রতিষ্ঠান বা ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথোরিটি পাইকারি মূল্য সূচক বা হোলসেল প্রাইস ইনডেক্স এর ভিত্তিতে ০.৬৪৯৫৬ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধিতে সায় দিয়েছে। জাতীয় প্রয়োজনীয় ওষুধের তালিকা বা ন্যাশনাল লিস্ট অফ এশেনসিয়াল মেডিসিন এর অন্তর্ভুক্ত ওষুধগুলির ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধি প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়েছে।
যে সমস্ত ওষুধগুলির দাম বাড়াতে চলেছে সেই তালিকায় যেমন রয়েছে ব্যথানাশক ওষুধ, তেমনই রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক, জ্বরের ওষুধ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ওষুধও। গত ২৫ মার্চ বিজ্ঞপ্তি জারি করে ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথোরিটির তরফে জানানো হয়েছে, বাণিজ্য মন্ত্রকের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা দফতরের তথ্য অনুসারে ২০২৫ সালে হোলসেল প্রাইসিং ইনডেক্স এ ০.৬৪৯৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে। আর সেই কারণে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি ওষুধের দাম বাড়ানোর অনুমতি পাবে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে দাবি, ওষুধের এই মূল্যবৃদ্ধি খুবই যৎসামান্য, তাই সাধারণ মানুষ খুব বেশি প্রভাবিত হবেন না। তবে ওষুধ কিনতে গেলে এমআরপি দেখে কেনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত দামের বেশি না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, হোলসেল প্রাইসিং ইনডেক্স এর ভিত্তিতে প্রতি বছর দাম বাড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়। অতীতেও মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। এবারে ০.৬৪৯৫৬ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধিতে অনুমোদন দেওয়ার ফলে ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি দাম সংশোধন করতে পারবে।