ওঙ্কার ডেস্ক: রাষ্ট্রসঙ্ঘে মানবাধিকার পরিষদের ৬০ তম অধিবেশনে ভারতে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন প্রসঙ্গে সরব হয়েছিলেন সুইজারল্যান্ডের প্রতিনিধি। সেই সঙ্গে ভারতে সংবাদমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই বলেও অভিযোগ করেছিলেন সুইডিশ কূটনীতিক। সেই মন্তব্যের কড়া জবাব দিল নয়াদিল্লি। ভারতের স্পষ্ট বার্তা, অন্যের দিকে আঙুল তোলার আগে নিজের দেশকে দেখুন।
সুইজারল্যান্ডের মন্তব্যের জবাবে জেনেভায় ভারতের স্থায়ী মিশনের কাউন্সিলর ক্ষিতিশ ত্যাগী বলেন, ‘আমরা আমাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সুইজারল্যান্ডের দেওয়া ভুল তথ্যে ভরা মন্তব্যের জবাব দিতে চাই। তারা যেন এমন ভিত্তিহীন এবং ভারতের বাস্তবতার সঙ্গে সম্পর্ক নেই এমন বিষয় নিয়ে কাউন্সিলের মূল্যবান সময় নষ্ট না করে। এর বদলে তাদের নিজেদের দেশের পরিকল্পিত বৈষম্যবাদ এবং জেনোফোবিয়ার ওপর মনোযোগ দেওয়া উচিত।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বের বৃহত্তম, সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় এবং প্রাণবন্ত গণতন্ত্র ভারতের মূল ভিত্তিই হল বহুত্ববাদ। সেই দেশ সুইজারল্যান্ডকে এই সমস্যাগুলি সমাধানে সাহায্য করতে প্রস্তুত।’
এদিন একই সঙ্গে পাকিস্তানকেও নিশানা করেন ক্ষিতীশ। ‘আন্তর্জাতিক অনুদানের উপরে টিকে থাকা এক দেশ’ বলে ইসলামাবাদকে সরাসরি কটাক্ষ করেন তিনি। ক্ষিতীশ বলেন, ‘আমরা নিজেদের রক্ষা করতে জানি। জঙ্গিদের লালন পালনকারী কোনও দেশ যেন আমাদের নৈতিক শিক্ষা দিতে না আসে। সংখ্যালঘুদের উপরে অত্যাচার করা একটা রাষ্ট্র, যার কিনা নিজের কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই, তাদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়ার প্রশ্ন ওঠে না।’
