গোপাল শীল দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা: সাত সকালে বিপত্তি। প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রপাতে ভেঙে পড়ল বজবজ কালীবাড়ি শ্মশানের ৩০ মিটার উঁচু চিমনি। মাটিতে পড়া মাত্রই চিমনটি তিন টুকরো হয়ে যায়। তবে ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর নেই। অল্পের জন্য বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন উপস্থিত মানুষ।
বুধবার সকাল থেকেই তুমুল বৃষ্টি শুরু হয় বজবজের ওই এলাকায়। সঙ্গে চলে ঘন ঘন বজ্রপাত। কিন্তু এর মধ্যেই যে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটবে তা কেউ ভাবেননি। আচমকা বিকট বজ্রপাতের ধাক্কায় কার্যত হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বজবজ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কালীবাড়ি শ্মশানঘাটের বৈদ্যুতিক চুল্লির প্রায় ৩০ মিটার উঁচু চিমনি। যার ফলে আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে চুল্লিতে দাহ কাজ। এদিনের ঘটনায় কেউ আহত না হলেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে শ্মশানের। ভেঙেছে সেখানকার পাঁচিল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশ কিছু কর্মীর কোয়ার্টার।
আজ সকালে এই ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে যান বজবজ পুরসভার পুরপ্রধান গৌতম দাশগুপ্ত ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা। পৌঁছোয় সিইএসসির কর্মীরা। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে বৈদ্যুতিক চুল্লির হাই-টেনশন লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পুরপ্রধান গৌতম দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে আপাতত শ্মশানঘাটের দুটি বৈদ্যুতিক চুল্লি বন্ধ রাখা হয়েছে। চিমনি সম্পূর্ণ মেরামত না হওয়া পর্যন্ত বৈদ্যুতিক চুল্লি চালু করা হবে না। তবে সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য কাঠের চুল্লিতে দাহকার্য স্বাভাবিকভাবেই চালু থাকবে।