ওঙ্কার ডেস্ক: সমাজ মাধ্যমে তিনি সক্রিয়। বিভিন্ন সময়ে ভিডিও পোস্ট করে আইনি বিষয় ব্যাখ্যা করেন। শুধু ফেসবুকে ২০ লক্ষের বেশি মানুষ তাঁকে অনুসরণ করেন। পেশায় আইনজীবী সেই মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেফতার করল পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, এসআইআর ঘিরে মালদহে অশান্তির ঘটনায় মূলচক্রী তিনিই। শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।
উল্লেখ্য, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার প্রতিবাদে মালদহের কালিয়াচকে অবরোধ-বিক্ষোভ হয়। শুধু তাই নয় বিচারকদের আটকে রাখারও অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশন মোফাক্কেরুলকে মূল মাথা হিসেবে দাবি করে বৃহস্পতিবার তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। তার পর শুক্রবার সকালে তাঁকে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়। কমিশন সূত্রে খবর, মোফাক্কেরুলকে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। গ্রেফতার হওয়ার পর শুক্রবার নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে পোস্ট করেছেন মোফাক্কেরুল ইসলাম। যেখানে তিনি লিখেছেন, ‘ভাল থাকুন আপনারা’। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, মোফাক্কেরুলের বিরুদ্ধে কালিয়াচক থানায় তিনটি মামলা দায়ের হয়েছিল। তাঁকে ‘মূল প্ররোচনাকারী’ হিসাবে গ্রেফতার হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। পুলিশ জানিয়েছে, বাগডোগরা থেকে বিমানে চেপে বেঙ্গালুরুতে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল ধৃতের।
উল্লেখ্য, এসআইআর এর ফলে ভোটার তালিকা থেকে বহু নাম বাদ পড়েছে। তারই প্রতিবাদে বুধবার মালদহের মোথাবাড়ি-সহ একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ দেখায় মানুষ। এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত সাত বিচারককে কালিয়াচক-২ ব্লক অফিসের ভিতর রাত পর্যন্ত ঘেরাও করে রাখা হয় বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে। যে ঘটনায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্টও। নির্বাচন কমিশন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।