স্পোর্টস ডেস্ক : এবারের মোহনবাগান দিবসটা ছিল অন্যরকম। একদিকে সারা কলকাতায় বৃষ্টি একইসঙ্গে ভোটের আবহাওয়া কাটিয়ে এক মালার তলায় সৃঞ্জয় বসু আর দেবাশিস দত্ত। এদিন তবে প্রতিবারের মত প্রাক্তন ফুটবলারদের ম্যাচ খেলা পতাকা তোলা অমর একাদশের ছবিতে মালা দেওয়া কেক কাটা হলো। ছিলেন সচিব সৃঞ্জয়,সভাপতি দেবাশিস, সহ সভাপতি কুনাল ঘোষ। আর বিকালে নেতাজি ইন্দোরে জমকালো উদ্বোধন।
দেবাশিস দত্ত বললেন, “আমার আর সৃঞ্জয়ের গত আড়াই বছরে ভুল বোঝাবুঝিতে সম্পর্ক খারাপ হয়। তবে এখন আমরা এক হয়েছি। সৃঞ্জয় যদি আমার হাত না ছাড়ে আমি ছাড়ব না”। একইসঙ্গে সৃঞ্জয় সমর্থকদের উদ্দেশ্য বললেন,আমি আর দেবাশিস দা বিবাদ ভুলে এক হয়েছি আপনারাও এক হন সমর্থকদের মধ্যে যেন গোষ্ঠী না থাকে।’এরপর একে একে সব পুরস্কার দেওয়া হয়।এদিন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসরা হাজির ছিলেন। প্রসেনজিৎ পুরস্কার তুলে দিলেন সেরা যুব ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস।জীবনকৃতি পাওয়া প্রাক্তন ক্রিকেটার রাজু মুখোপাধ্যায় জানালেন,জানি না এই পুরস্কারের যোগ্য কিনা ! স্কুল,কলেজের মত আমাকে মোহনবাগান লালন,পালন করেছে।সত্যিই ভালো লাগছে। ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস আবার বললেন, “মোহনবাগানকে অনুরোধ তারা কন্যাশ্রী কাপে খেলুক। আর ট্রফিটা জিতলে ট্রফি যেন ক্লাবে আসে। ঢাক ঢোল পিটিয়ে”।
দেবাশিস দত্ত বললেন, “অরূপ দার অনুরোধ রাখা হবে কিন্তু চাই উনার আশীর্বাদ। টুটু বসু সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের হাত থেকে মোহনবাগান রত্ন পুরস্কার পেয়ে বললেন, ছোট বেলায় অনেকে বলত হাতে চাঁদ পেয়েছিস হ্যা আমি চাঁদ পেয়েছি”। এছাড়া তার আবদার, আমি আর সুব্রত মুখার্জী ঘুগনি টোস্ট খেয়ে মোহনবাগান ক্যান্টিন উদ্বোধন করি ওটা কারোর নামে করে দিও না মারা গেলো ওটা যেন আমার নামে হয় এটাই আবদার।
