ওঙ্কার ডেস্ক: রাজ্য রাজনীতিতে ক্ষমতার পালাবদল ঘটিয়েছিল নন্দীগ্রামে জমি রক্ষা আন্দোলন। ২০০৭ সালে ১৪ মার্চ পুলিশের গুলিতে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তার ঠিক পরদিন ১৫ মার্চ গোকুলনগর এলাকায় মা ও তাঁর দুই মেয়েকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় প্রায় ১৯ বছর পর ‘মূল সাক্ষী’কে গ্রেফতার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।
সিবআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম ইন্দুবালা দাস। স্থানীয় সূত্রে দাবি, তিনি ওই গণধর্ষণকাণ্ডের মূল সাক্ষী। কিন্তু দীর্ঘ দিন পর কেন হঠাৎ তাঁকে গ্রেফতার করল সিবিআই তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। জোড়াফুল শিবিরের অভিযোগ, তৎকালীন শাসকদল সিপিএম-এর সমর্থকরা মূল অভিযুক্ত। তাঁদেরকে না গ্রেফতার করে সাক্ষীকেই হেনস্থা করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ২০০৭ সালের ওই ঘটনা রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিয়েছিল। এক সময় মামলার তদন্তভার হাতে নেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, মামলার মূল অভিযুক্ত যিনি তাঁর মৃত্যু হয়েছে। আরও দুই অভিযুক্ত প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিন্তু তাদেরকে না ধরে মূল সাক্ষীকে কেন গ্রেফতার করা হল তা নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল।
বিষয়টি নিয়ে তমলুক সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি সুজিত রায় বলেন, ‘ইন্দুবালা বয়সের কারণে শারীরিক ভাবে অসুস্থ। তিনি সাক্ষ্য দিতে যেতে না পারার কারণে ১৯ বছরের পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হল।’
