ওঙ্কার ডেস্ক: ভয়াবহ ঘটনা অন্ধ্রপ্রদেশের পালনাডু জেলার মুপ্পাল্লা মণ্ডলের থোন্দাপি গ্রামে। স্ত্রীর চরিত্র নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে মহিলার পা কুড়ুল দিয়ে কেটে আলাদা করে দিলেন এক ব্যক্তি। এমন ঘটনায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্ত্রীর উপর হামলার পর সেই কাটা পা ব্যাগে ভরে নিয়ে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছে অভিযুক্ত। এদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আক্রান্ত মহিলা।
রিপোর্ট অনুসারে অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম লক্ষ্মাইয়া। তার স্ত্রী ভুলক্ষ্মী (৩৩)-এর চরিত্র নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করতো অভিযুক্ত। মাঝে মাঝে দুজনের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে বচসা হতো। স্থানীয়রা জানান, কয়েক মাস ধরে ওই দম্পতির মধ্যে ঝগড়া চলছে। তার মাঝেই এই হামলা চালানো হয়।
অভিযোগ, রাগের মাথায় লক্ষ্মাইয়া একটি কুড়ুল তুলে নিয়ে ভুলক্ষ্মীকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। এই নৃশংস হামলায় তার পা কেটে দেহ থেকে আলাদা হয়ে যায়। যার ফলে গুরুতর জখম হন ওই মহিলা। অভিযুক্ত কাটা পাটি নিয়ে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে। পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। ঘটনার পর গ্রামবাসীরা ভুলক্ষ্মীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাঁর অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। পুলিশ লক্ষ্মাইয়ার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।