ওঙ্কার ডেস্ক: বিশেষ অভিযানে নেমে ভারতের নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) ২২৭ কিলোরও বেশি ক্যাপটাগন বাজেয়াপ্ত করেছে। শক্তিশালী এই সাইকোট্রপিক উদ্দীপক মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ভারতে প্রথম এই মাদক বাজেয়াপ্ত করা হল। শনিবার মাদকবিরোধী সংস্থাটি এই সাফল্যের কথা জানিয়েছে। নিষিদ্ধ এই মাদক বাজেয়াপ্ত করার জন্য ‘অপারেশন রেজপিল’ নামে অভিযান শুরু করেছিল এনসিবি। আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেট ভারতকে ব্যবহার করে উপসাগরীয় দেশগুলিতে এই মাদক পাচার করছিল বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন।
চার দিন ধরে দুই রাজ্যে অভিযান চালান তদন্তকারীরা। সেই অভিযানে এক সিরীয় নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। যে কিনা পর্যটক ভিসায় ভারতে এসে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতে থাকছিল। এনসিবি কর্তারা নয়াদিল্লির নেব সরাইয়ের একটি ঠিকানায় ১১ মে তল্লাশি চালান। তারা একটি বাণিজ্যিক চাপাটি কাটার মেশিনের ভেতর থেকে প্রায় ৩১.৫ কিলোগ্রাম ক্যাপটাগন ট্যাবলেট খুঁজে পান। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে সেগুলি সৌদি আরবের জেদ্দায় পাঠানো হচ্ছিল। গ্রেফতার হওয়া সিরীয় নাগরিক ২০২৪ সালের নভেম্বরে পর্যটক ভিসা নিয়ে ভারতে এসেছিল। কিন্তু তার ভিসার মেয়াদ ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শেষ হয়ে যায়। তবুও এদেশে থেকে মাদক পাচারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল ওই ব্যক্তি।
মাদক বাজেয়াপ্তের ঘটনা নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি লিখেছেন, ‘মাদকমুক্ত ভারত গড়তে মোদী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অপারেশন রেজিপিলের মাধ্যমে প্রথমবার ক্যাপ্টাগন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, যা তথাকথিত ‘জিহাদি ড্রাগ’ নামে পরিচিত।’ কেন এই মাদককে জিহাদি ড্রাগ বলা হয়? পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় এই ড্রাগের বহুল ব্যবহার হয়েছে। বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হতো এই ড্রাগ। এটি গ্রহণের ফলে ভয় ও ক্লান্তি দূর হয়।