ওঙ্কার ডেস্ক: ভাড়া মেটাতে ব্যর্থ হয়েছিল। আর সে কারণে বাড়ির মালিক এবং তার সঙ্গীকে দিয়ে নিজের স্ত্রী ও নাবালিকা কন্যাকে ধর্ষণ করাল গুজরাটের এক ব্যক্তি। চাঞ্চল্যকর এই হাড়হিম করা ঘটনা ঘটেছে সে রাজ্যের মোরবি এলাকায়। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমে অভিযুক্ত বাড়ি মালিক এবং ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাড়িওয়ালার সঙ্গীকে খুঁজছেন তদন্তকারীরা।
রিপোর্ট অনুসারে, ৫৫ বছর বয়সী ওই বাড়িওয়ালা তার এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে ভাড়াটিয়া ব্যক্তির কাছ থেকে ‘সম্মতি’ নেয় ধর্ষণের। এর পর তার স্ত্রী ও মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণ করে তারা। গত ১ মে, নির্যাতিতা স্ত্রীর মা মোরবি সিটি ‘এ’ ডিভিশন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং পকসো আইনের বিভিন্ন ধারায় তিন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগে বলা হয়, পরিবারটি ছয় মাস আগে কাজের খোঁজে মোরবিতে আসে। ভাড়াটিয়া ২,০০০ টাকায় বাড়িটি ভাড়া নেয়। কিন্তু কাজকর্ম ভালো না চলায় না টাকা মেটাতে পারায় সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাড়ার টাকা বাড়তে থাকে। অভিযোগ, এই পরিস্থিতিতে স্বামীর “সম্মতিতে” বাড়িওয়ালা ওই মহিলা এবং তার ১৩ বছর বয়সী নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণ করে।
বাড়িওয়ালার এক আত্মীয়ও ভাড়াটিয়ার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ভাড়াটিয়া এবং বাড়িওয়ালা দুজনকেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। দুজনেই বর্তমানে কারাগারে আছে। বাড়িওয়ালার সঙ্গী এখনও পলাতক। তার খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।