ওঙ্কার ডেস্ক: প্রেমিকাকে ধারালো ছুরি দিয়ে কুপিয়ে খুনের পর ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করলেন যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে গুরুগ্রামে। তবে অভিযুক্ত যুবক ছত্তিশগড়ের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ওই যুবক গুরুগ্রামে একটি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। প্রেমিকাকে হত্যার পর শনিবার ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই ইঞ্জিনিয়ার।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুজনেরই বয়স ২৫ বছর। যুবকের নাম শ্রেষ্ঠ মালিক, তিনি ছত্তিশগড়ের ভিলাইয়ের বাসিন্দা। তরুণীর নাম ইশারা আয়ুবি, তিনি উত্তরপ্রদেশের সীতাপুরের বাসিন্দা। দুজনেই গুরুগ্রামের একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। বিগত কয়েক দিন ইশারা আয়ুবির পরিবার ফোন করে ওই তরুণীকে। কিন্তু ফোনে কোনও যোগাযোগ না হওয়ায় অফিসে খোঁজ নিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, তিনি কাজে যোগ দেননি। এরপর পরিবার পুলিশের দ্বারস্থ হয়। নিখোঁজ সংক্রান্ত একটি অভিযোগও দায়ের করেন তাঁরা। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ আয়ুবির মোবাইল ফোনের অবস্থান ট্র্যাক করে গুরুগ্রামের সেক্টর-৫৫ এলাকায় অবস্থিত মালিকের ভাড়া বাড়িতে পৌঁছায়। সেখানে তালা ভেঙে তদন্তকারীরা ভেতরে ঢুকে রক্তাক্ত অবস্থায় আয়ুবির মৃতদেহ উদ্ধার করে। অভিযোগ, ধারালো অস্ত্র দিয়ে আয়ুবির ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। তাঁর গলায় একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, শ্রেষ্ঠ মালিক ওই ঘরটি ভাড়া নিয়েছিলেন। এদিকে রেল পুলিশ একটি দেহ উদ্ধার করে রেল লাইন থেকে। ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করা ওই যুবকের দেহ উদ্ধারের পর শনাক্ত করা হয়। পুলিশ জানায়, সেটি শ্রেষ্ঠ মালিকের দেহ।
সেক্টর-৫৬-এর পুলিশ আধিকারিক মনোজ কুমার জানান, তদন্ত চলছে। ওই দুজনের সম্পর্কের ধরন এবং ঘটনার পেছনের কারণগুলো তদন্ত শেষ হলেই জানা যাবে। মোবাইলের কল ডিটেইলস, চ্যাট খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তদন্তকারীরা।