ওঙ্কার ডেস্কঃ ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সোমবার সংসদ অভিযান কর্মসূচি শুরু করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। ১৬৩ ধারা জারি করেছে দিল্লি পুলিশ। সেই ধারা উপেক্ষা করেই সংসদের উদ্দেশে মিছিল শুরু করে সিজেপি। কিছুদূর এগোতেই ব্যারিকেড দিয়ে তাঁদের আটকে দেওয়া হয়। লাঠিচার্জও করে পুলিশ।
সূত্রের খবর, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র পাশে দাঁড়িয়ে প্রায় ৮ হাজার মানুষ সংসদ অভিযানে অংশ নিয়েছেন। জমায়েত শুরু হতেই পুলিশ তাঁদের বাধা দিতে শুরু করে। কিন্তু কোনওভাবেই আন্দোলনকারীদের দমানো যাচ্ছিল না। এরপরই চলে লাঠিচার্জ।
উল্লেখ্য, জুন মাসের শেষ লাদাখের সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তরমন্তরে আমরণ অনশনে বসেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতিও হয়েছে। অবশেষে ২১ দিনের মাথায় গত শনিবার হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে দিল্লি পুলিশ সোনমকে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করে। এনিয়েও বিতর্ক হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা যাতে কোনওভাবেই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করতে না পারে, তার জন্য পুরো নতুন দিল্লি এলাকাকে ১৫টি সিকিউরিটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি জোনের দায়িত্বে রয়েছেন স্পেশাল কমিশনার এবং ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার অফিসাররা। দিল্লি পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ২৫টিরও বেশি ব্যাটালিয়ন কৌশলগত জায়গাগুলোতে মোতায়েন রয়েছে, যার মধ্যে মহিলা কর্মীরাও আছেন। এছাড়া যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে জলকামান। দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, এই সংসদ অভিযানের জন্য কোনও রকম অনুমতি নেওয়া বা দেওয়া হয়নি।