ওঙ্কার ডেস্ক: রাজধানী দিল্লিতে ফুটপাতে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে ট্যাক্সি চালককে আটক করে দিল্লি পুলিশ। অভিযুক্তের নাম বাবলু। জানা গিয়েছে মঙ্গলবার ঘটনার পুননির্মান করার জন্য ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হলে সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত। তখনই তার পায়ে গুলি করে পুলিশ। বর্তমানে চিকিৎসাধীন অভিযুক্ত।
পুলিশসূত্রে জানা গেছে গত রবিবার দিল্লীর মেহরৌলি এলাকায় ফুটপাতে থাকত ও নাবালিকা। রাস্তায় সিগন্যালে বেলুন বিক্রি করত ঐ ১১ বছরের নাবালিকা। রবিবার রাতে বাবলু নামের ঐ ট্যাক্সি চালক ঘুমন্ত অবস্থায় মেয়েটিকে তুলে নিয়ে গিয়ে প্রথমে ধর্ষণ করে পরে খুন করে পাশ্ববর্তী এক জঙ্গলে ফেলে দেয় দেহ। সকালে ঘুম থেকে উঠে পরিবার মেয়েকে দেখতে না পেয়ে মেহরৌলি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। মামলা দায়ের হওয়ার পরই তদন্তে নেমে পরে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ, আশে পাশের মানুষের বয়ান সংগ্রহ করে অভিযুক্তের সন্ধান পায় পুলিশ। দিল্লি পুলিশের তৎপরতায় মামলা দায়ের হওয়ার মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত বাবলুকে। পরে তার বয়ানের ভিত্তিতেই ঐ নির্যাতিতা নাবালিকার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়না তদন্তে ধর্ষণের প্রমাণ মেলে।
জানা গেছে মঙ্গলবার পুরো ঘটনার পুননির্মান করার জন্য ঘটনাস্থল পরিদর্শনে নিয়ে যাওয়া হয় অভিযুক্ত ট্যাক্সি চালককে। মেহরৌলি জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হলে সে পালানোর চেষ্টা করে। বুঝতে পেরে পায়ে গুলি চালায় পুলিশ। আহত অবস্থায় তাকে আটক করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তার চিকিৎসা শুরু করে।