ওঙ্কার ডেস্ক: মেয়েকে যখন অভিযুক্ত ট্যাক্সিচালক তুলে নিয়ে যাচ্ছিল, তখন চিৎকার বাবার কাছে সাহায্য চেয়েছিল সে। আর্তনাদ করে শিশুকন্যা বলেছিল ‘আমাকে বাঁচাও’। মেয়ের কাতর আর্জি শুনে তড়িঘড়ি ট্যাক্সির পিছনে ধাওয়া করেন জন্মদাতা। কিন্তু পিছু নিলেও গতি বাড়িয়ে কিছুক্ষণের মধ্যে উধাও হয়ে যায় গাড়িটি। তার কিছুক্ষণ পরে ঝোপের ভিতর থেকে শিশুর দেহ উদ্ধার হয় । তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
সোমবার সকাল ৫টা নাগাদ মেয়েটির পরিবার পুলিশকে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে জানায়। পরিবারের অভিযোগ পাওয়ার পরেই মেহরৌলি পুলিশ মেয়েটিকে খুঁজে বের করতে তৎপরতা শুরু করে। ওই এলাকার কয়েক শো সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে। তদন্ত চলাকালীন এক সন্দেহভাজন ট্যাক্সি চালক সম্পর্কে তথ্য পায় পুলিশ। এর পর চার ঘন্টার মধ্যে তদন্তকারীরা অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত ব্যক্তির নাম বাবলু (২৫)। একটি অ্যাপ ক্যাব চালায় সে। জিজ্ঞাসাবাদের মুখে সে নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। মঙ্গলবার অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় পুলিশ। সে সময় পালানোর চেষ্টা করলে তার পায়ে গুলি করে তদন্তকারীরা।
তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ফুটপাথ থেকে ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুকন্যাকে তুলে নিয়ে যায় অভিযুক্ত। ১০ বছরের শিশুকন্যার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে তল্লাশি শুরু হয়। অভিযুক্তকে খুঁজে বের করতে ন’টি দল গঠন করে পুলিশ। দক্ষিণ দিল্লির ডেপুটি পুলিশ কমিশনার অনন্ত মিত্তল জানিয়েছেন, অ্যাপ ক্যাব ওই গাড়িটির ডিজিটাল তথ্য বার করা হয়। সাহায্য নেওয়া হয় জিপিএসেরও। দিল্লির বিকাশপুরীতে গাড়িটির হদিশ মেলে।