ওঙ্কার ডেস্ক: ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে সংসদ অভিযান ঘিরে সোমবার উত্তাল হয়েছে রাজধানী শহর দিল্লি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের দাবিতে সেই বিক্ষোভের আঁচ পড়ল এবার ভারতের বাইরেও। সিজেপির আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানাতে এবং সোনম ওয়াংচুকের প্রতি সহমর্মিতা জানাতে নিউ ইয়র্ক, লন্ডনের মতো শহরে রাস্তায় নেমেছে মানুষ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটিও সংগঠনের সদস্যরা নিউ ইয়র্ক এবং সান হোসে শহরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। ‘হিন্দুস ফর হিউম্যান রাইটস’ নামে ওই সংগঠনটি নিউ ইয়র্কের ইউনিয়ন স্কোয়্যার এবং সান হোসে শহরে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তির পাদদেশে জমায়েত করে। সেখানে বিক্ষোভকারীরা ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা চেয়েছেন। এ ছাড়া লন্ডন এবং আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনেও বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিদেশেও ককরোচদের সমর্থনে বিক্ষোভ হওয়ায় চাপ বাড়ছে মোদী সরকারের উপর। ধর্মেন্দ্র প্রধানকে শিক্ষা মন্ত্রক থেকে সরানো হয় কিনা এখন সেটাই কৌতুহলের বিষয়। উল্লেখ্য, মঙ্গলবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এ বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ছাত্রদের ভবিষ্যত নিয়ে রাজনীতি না করার। যদিও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ধর্মেন্দ্রের পদত্যাগের দাবিতে অনড় রয়েছেন। মঙ্গলবারই তিনি সমাজ মাধ্যমে আরও এক ধাপ এগিয়ে মোদী ও অমিত শাহের পদত্যাগ চেয়েছিলেন। ওই দিনই দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে বসেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে-সহ কংগ্রেসের একাধিক নেতা কর্মী। দিল্লি পুলিশ জোর করে রাহুলকে টেনে হিঁচড়ে তুলে নিয় গিয়েছিল। এদিকে সোনম ওয়াংচুকের অনশন আন্দোলন এখনও জারি রয়েছে। বুধবার তাঁর অনশন ২৫ দিনে পড়েছে। বর্তমানে দিল্লির মেদান্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।