ওঙ্কার ডেস্কঃ আবারও সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক মামলার শুনানি। এর আগেও ২ বার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি পিছিয়েছে। আবারও পিছলো শুনানি। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি সঞ্জীব মেহতার এজলাসে এই মামলার শুনানি ছিল। শুনানির শুরুতেই রাজ্যের তরফে অভিযোগ করা হয় যে, কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে হাতিয়ার হিসাবে কেন্দ্র ব্যবহার করছে। যদিও পালটা কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলে সওয়াল করেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসজি রাজু। সওয়াল জবাবের পর রিজয়েন্ডার দাখিল করার জন্য সময় চেয়ে নেন ইডি। সেই আর্জি মেনেই আগামী ১৮ মার্চ শুনানির দিন ধার্য করে সুপ্রিম কোর্ট।
বুধবার ইডির দায়ের করা নথি চুরির মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি সঞ্জীব মেহতার এজলাসে। শুনানিতে ইডির তরফে একটি হলফনামা জমা দেওয়া হয়। সেই হলফনামায় দাবি করা হয়েছে, ইডি যেদিন আইপ্যাকের দফতরে এবং সংস্থার কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালায়, সেদিনই জোর করে ভিতরে ঢুকে নথি ছিনিয়ে নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে ইডির হলফনামায়। যদিও ইডির তদন্তে কোনওরকম বাধা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে দেননি তা জানিয়ে আগেই রাজ্যের তরফে হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছিল।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রিজয়েন্ডার দাখিলের জন্য কেন্দ্রের তরফে সময় চাওয়া হয়েছিল। তা আদালত মঞ্জুর করেছে। আগামী ১৮ মার্চ এই মামলার শুনানি হবে। সেদিন শুরুতেই এই মামলা কতটা যুক্তিপূর্ণ তা আদালত শুনবে।
গত ৮ জানুয়ারি তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের দফতর এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছু ফাইল নিয়ে আসেন। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ওইসব তাঁর দলের নথিপত্র। তাতে নির্বাচনী রণকৌশলের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র রয়েছে। তা নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়।