ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরই সংসদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন সুখেন্দুশেখর রায়। সংসদের পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি বা পিএসি-তে তাঁকে নির্বাচিত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ থাকার পর ২০২৬ সালের রাজনৈতিক পালাবদলের প্রেক্ষাপটে তিনি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। এরপর বিজেপির প্রার্থী হিসেবে রাজ্যসভায় ফের নির্বাচিত হন তিনি। জুলাই মাসে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাঁর নির্বাচন সম্পন্ন হয়। একই সঙ্গে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইকও বিজেপির টিকিটে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন।
রাজ্যসভায় সুখেন্দুশেখরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০১১ সাল থেকে তিনি সংসদের উচ্চকক্ষের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিয়মিত বক্তব্য রেখেছেন। সংসদীয় তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালেও তিনি একাধিক বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং বিতর্কে অংশ নিয়েছেন। চলতি অধিবেশনেও মহাকাশে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, কয়লা উৎপাদন, শক্তি নিরাপত্তা, কৃষি ও শিল্পনীতি-সহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি সংসদে সক্রিয় থেকেছেন। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তিনি নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ে সংসদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পেলেন। জুলাই মাসে বিজেপির হয়ে রাজ্যসভায় ফের নির্বাচিত হওয়ার পর এবার সংসদীয় কমিটিতেও তাঁর অন্তর্ভুক্তি জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয় ভূমিকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলার রাজনীতিতে বড়সড় পালাবদল ঘটে। বিজেপি রাজ্যে সরকার গঠন করার পর তৃণমূলের একাধিক প্রাক্তন সাংসদ ও নেতার দলবদল রাজনৈতিক মহলে বিশেষ নজর কাড়ে। সুখেন্দুশেখর রায়ের বিজেপিতে যোগদানও সেই ধারার অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা।