ওঙ্কার ডেস্ক: লোকসভার আসন্ন বাদল অধিবেশনকে সামনে রেখে দিল্লিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন সদ্য গঠিত এনসিপিআই-র শীর্ষ নেতৃত্ব। দলের লোকসভার নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মুখ্য সচেতক কাকলি ঘোষ দস্তিদার প্রথমে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও তাঁদের বৈঠক হয়। এই ধারাবাহিক বৈঠককে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে মূলত লোকসভায় এনসিপিআই-র সাংসদদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি, সংসদে বসার আসন বণ্টন, নতুন সংসদ ভবনে দলীয় দফতরের জন্য জায়গা বরাদ্দ এবং সংসদীয় কার্যক্রমে দলের অংশগ্রহণ সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাঁদের পক্ষ থেকে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। বিষয়গুলি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে বলে স্পিকারের তরফে আশ্বাস মিলেছে। পাশাপাশি, ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে চলা সর্বদলীয় বৈঠকেও এনসিপিআই-কে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান। দলের সাংসদদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টিও ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত হয়েছে। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে লোকসভায় দলের নেতা, কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে মুখ্য সচেতক এবং শতাব্দী রায়কে উপদলনেতার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের মধ্যেও সংসদে দলের কার্যক্রম যাতে সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়, সেই লক্ষ্যেই এই সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দলত্যাগী ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে দলবদল বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন ইতিমধ্যেই স্পিকারের কাছে জমা পড়েছে। যদিও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে সেই আবেদন নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। তাঁর বক্তব্য, সংসদীয় নিয়ম ও সংবিধান মেনেই সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং তাঁরা সেই নিয়মের উপরেই আস্থা রাখছেন।