ওঙ্কার ডেস্ক: ২০২৩ সালে আততায়ীদের গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল উত্তরপ্রদেশের গ্যাংস্টার-রাজনীতিবিদ আতিক আহমেদের। বাবার মৃত্যুর প্রায় তিন বছর পর পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল ছেলে আবান আহমেদের। বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসিতে রাস্তার ডিভাইডারে ওই যুবকের গাড়ি ধাক্কা দিলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বন্ধুদের সঙ্গে গাড়িতে চেপে যাওয়ার সময় এই বিপত্তি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। গাড়িতে থাকা সোনু নামের আরেক ব্যক্তিরও মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় জখম হয়েছেন আরও তিন জন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝাঁসির জেলে বন্দি রয়েছেন আতিকের এক ছেলে, তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আতিকের পাঁচ ছেলে। বড় ছেলে উমর আহমেদ লখনউ জেলে বন্দি, আলি আহমেদ নামে আরেকজন ঝাঁসি জেলে রয়েছেন। তৃতীয় ছেলে আসাদ ২০২৩ সালের এপ্রিলে ঝাঁসিতে পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত হন। চতুর্থ ছেলে আহজাম বর্তমানে বাইরে। আর পঞ্চম ছেলে আবান বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনায় মারা গেলেন। সিনিয়র পুলিশ সুপার বিবিজিটিএস মূর্তি সাংবাদিকদের জানান, সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ এই দুর্ঘটনার খবর পায় পুলিশ, একটি এসইউভি রাস্তার ডিভাইডারে ধাক্কা খেয়েছে বলে তদন্তকারীদের কাছে খবর যায়। তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনায় দুজন মারা গেছেন। তিন জন জখম হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, প্রাক্তন সাংসদ ও সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী আতিক আহমেদ এবং তাঁর ভাই আশরাফকে ২০২৩ সালের ১৫ এপ্রিল আততায়ীরা গুলি করে হত্যা করে। সাংবাদিকের ছদ্মবেশে এসে তিন আততায়ী এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটায়। উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে পুলিশি ঘেরাটোপে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। আতিক আহমেদের বিরুদ্ধে হত্যা, তোলাবাজি ও অপহরণ-সহ বহু অপরাধের মামলা ছিল। এসব মামলায় ২০২৩ সালের মার্চ মাসে তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল আদালত।