ওঙ্কার ডেস্ক: ভয়াবহ ঘটনা গুরগাঁওয়ের অশোক বিহার ফেজ ৩-এ। মধ্যরাতে ঝগড়ার সময় নিজের স্ত্রী ও ছেলেকে গুলিতে ঝাঁজরা করে খুন করলেন এক ব্যক্তি। লাইসেন্স থাকা রিভলভার দিয়ে পরিবারের দুজনকে হত্যা করেন ওই ব্যক্তি। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘ দিন ধরে পারিবারিক বিবাদ চলছিল। ঘটনার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম অনিল তানওয়ার (৫৬)। নিহত দুজনের নাম আশা রানী তানওয়ার (৫২) এবং তার ছেলে প্রশান্ত (২৭)। আশা রানী কার্টারপুরি গ্রামের লর্ড শিবা পাবলিক স্কুলের প্রিন্সিপাল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্কুল পরিচালনায় মাকে সাহায্য করতেন প্রশান্ত। স্থানীয়দের দাবি, ঝগড়া নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে রাত প্রায় ১১টা নাগাদ এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটের। সর্বভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১৪টি খালি কার্তুজ উদ্ধার করেছে। আশা রানীর শরীরে চারটি এবং প্রশান্তের শরীরে সাতটি গুলি লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। দুজনকেই দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
সম্প্রতি অনিলের বিবাহিত মেয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে বাপের বাড়ি এসেছিলেন ঘুরতে। ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন প্রশান্তের ১৮ মাসের স্ত্রীও। গোলমালের শব্দ শুনে দ্রুত তাঁরা ওপরতলায় ছুটে আসেন। অনিলের মেয়ের অভিযোগ, তার বাবা তার মাকে চড় মারেন। এর পর ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়ে তার লাইসেন্স প্রাপ্ত রিভলভার নিয়ে এসে গুলি চালান। গুলির শব্দ শোনার পর প্রতিবেশীরা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সেক্টর ৫ থানার পুলিশ। প্রমাণ সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে যায় বিশেষজ্ঞরা। পরে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই রিভলভারটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। রবিবার অনিলকে আদালতে তোলা হলে দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।