ওঙ্কার ডেস্ক: ইতিহাস তৈরি হল সংসদে। বাদল অধিবেশনের শেষ দিন ছিল বৃহস্পতিবার। এদিনই লোকসভার কাজ শুরু হল ‘বন্দে মাতরম’ গানের মাধ্যমে। এর আগে কোনও দিন বন্দে মাতরম গেয়ে অধিবেশন শুরু হয়নি। এই গান গাওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং সংসদের নিম্নকক্ষে থাকা সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
‘বন্দে মাতরম’-কে আইনি সুরক্ষা দেওয়ার বিলে সম্প্রতি সম্মতি জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তার কয়েক দিনের মধ্যেই সংসদে পরিবেশন করা হল এই গান। নয়া আইনের ফলে জাতীয় গান গাওয়ার ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে বা তা প্রতিরোধ করলে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। জাতীয় সঙ্গীত জনগণর মতো আইনি মর্যাদা পেয়েছে বন্দে মাতরম। এর আগে সরকার সরকারি অনুষ্ঠানে এই গান গাওয়ার বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। গত ২৮ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক নির্দেশে বলা হয়, রাষ্ট্রপতির আগমন, তেরঙা উত্তোলন এবং রাজ্যপালদের ভাষণের মতো অনুষ্ঠানে এই গানের ছয়টি স্তবক গাইতে হবে।
উল্লেখ্য গত ২০ জুলাই অধিবেশন শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন ইস্যুতে উত্তপ্ত হয়েছে সংসদ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘নিট’ ইউজি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের দমন-পীড়ন। সংসদে বিরোধীরা সরব হন রাম মন্দিরের অনুদান চুরির ঘটনা নিয়েও। বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, পুলিশি দমন পীড়ন নিয়ে তিনি বিতর্কের জন্য প্রস্তুত। বিরোধীদের প্রতিটি প্রশ্নের জবাব দেবেন বলে জানিয়েছিলেন শাহ। শুধু তাই নয়, স্পিকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন, বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনা করে পড়ুয়াদের বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য সময় বরাদ্দ করার জন্য। যদিও অধিবেশনের শেষ দিনেও বিরোধীরা সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়।