ওঙ্কার ডেস্ক: জম্মুকাশ্মীরের যে বিশেষ মর্যাদা ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদের কারণে ছিল তা ২০১৯ সালে প্রত্যাহার করে নিয়েছিল মোদী সরকার। এই বিশেষ ক্ষমতা খর্ব করার পর ছয় বছর অতিক্রান্ত। এই পরিস্থিতিতে বিহারে দাঁড়িয়ে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের সুফল বোঝালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শাহের দাবি, গত নয় মাসে উপত্যকায় কোনও স্থানীয় জঙ্গির খোঁজ মেলেনি। প্রসঙ্গত, ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের পর জম্মুকাশ্মীর এবং লাদাখকে নিয়ে দুটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি করা হয়। এদিন শাহ বলেন সঠিক সময়ে জম্মুকাশ্মীরকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হবে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, একদা কাশ্মীরের স্থানীয় শিশুরা হাতে অস্ত্র তুলে নিত। বর্তমানে সেই কাশ্মীরবাসী নিজেদের ভারতের অংশ হিসাবে দেখতে শুরু করেছেন। এটাই মোদি সরকারের সাফল্য বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘কাশ্মীরে ১৯৯০-এর দশক থেকেই বিচ্ছিন্নতাবাদ তীব্র ভাবে মাথাচড়া দিয়ে উঠেছিল। আগে পাকিস্তানের সীমান্তের ওপার থেকে জঙ্গি পাঠানোর দরকার হত না। আমাদের শিশুদের হাতে ওরা অস্ত্র তুলে দিত। কিন্তু পরিস্থিতির এখন বদল হয়েছে।’ তাঁর সংযোজন, ‘এখন উপত্যকার মানুষে নিজেদের ভারতের অংশ বলে মনে করেন। সেই সঙ্গে ভারতকে নিজেদের দেশ বলেও মানেন তাঁরা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জম্মুকাশ্মীরে পঞ্চায়েত, পুরনির্বাচন এবং বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা হয়েছে এই অঞ্চলে। শুধু তাই নয় সঠিক সময়ে জম্মুকাশ্মীরের রাজ্যের মর্যাদাও ফেরানো হবে। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট জম্মুকাশ্মীরের বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা কেড়ে নেওয়া হয়।
