ওঙ্কার ডেস্ক: ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের একটি কোচিং সেন্টারে। সোমবার বিকেলে এই ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে এখনও পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। যে ভবনটিতে আগুন লেগেছে সেটির ভিতরে বহু মানুষের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের ১৪ ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার এবং উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে।
দমকল বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুসারে, সোমবার বিকেল ৩টা নাগাদ আলিগঞ্জ থানা এলাকার ঊষা মেহতা মার্গের ওই কোচিং সেন্টারে আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনী। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হাইড্রোলিক প্ল্যাটফর্মসহ ১৪টি দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ভবনটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়তে ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। ঘটনার সময় ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায় আগুনের হাত থেকে বাঁচতে বেশ কয়েকজন পড়ুয়া দোতলা থেকে ঝাঁপ দেন নীচে। স্থানীয়দের দাবি, সাত-আটজন পড়ুয়া ভবন থেকে লাফ দিয়েছে। তবে ভেতরে আরও অনেকে আটকে রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘সম্ভবত কোনও স্ফুলিঙ্গ থেকে আগুন লাগে। প্রাণ বাঁচাতে সাত-আটজন পড়ুয়া ভবন থেকে লাফ দেয়। তবে এখনও প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন ভেতরে আটকে রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।’
এই অগ্নিকাণ্ড নিয়ে উত্তরপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক বলেন, ‘…উদ্ধারকাজ চলছে। আমরা অভিভাবকদের পাশে আছি। ভেতরে ঠিক কতজন রয়েছে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘দমকল বাহিনী এক্সকাভেটর ব্যবহার করে দেওয়াল ভেঙে ভবনের ভেতরে প্রবেশ করেছে এবং উদ্ধার কাজ ও আগুন নেভানোর কাজ করছে।’ কী কারণে আগুন লাগল তা এখনও স্পষ্ট নয়। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।