ওঙ্কার ডেস্ক: হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রে এক ব্যক্তিকে নৃশংস ভাবে খুনের অভিযোগ উঠল তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পেট থেকে নাড়িভুঁড়ি বের নেওয়ার অভিযোগ। ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহতের নাম রাজেশ। তিনি আদতে উত্তরপ্রদেশের সীতাপুরের বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় এক বছর ধরে স্ত্রী বিমলা দেবীর সঙ্গে কুরুক্ষেত্রের পেহোয়া রোডে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। স্থানীয় একটি জল সরবরাহকারী সংস্থায় কাজ করতেন রাজেশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন বিকেলে ওই দম্পতির ঘর থেকে চিৎকার শোনা যায়। বাড়ির মালিক রিংকু শব্দ শুনে তড়িঘড়ি ছাদে যান। সেখানে রক্তাক্ত অবস্থায় রাজেশকে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। তাঁর পেটে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, বিমলা দেহ থেকে বেরিয়ে আসা অন্ত্র প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরছিলেন। বাড়ির মালিককে দেখতে পেয়ে বিমলা ছাদ থেকে ঝাঁপ দেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই পুলিশি নজরদারিতে তাঁর চিকিৎসা চলছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফরেনসিক দল তিনটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে।
ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টেও উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজেশের পেটে গভীর ক্ষত ছিল। ক্ষতের গভীরতা প্রায় ৩৫ সেন্টিমিটার বলে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ। রিপোর্ট অনুযায়ী, আঘাতের জেরে তাঁর অন্ত্র বাইরে বেরিয়ে এসেছিল। তাঁর যকৃতের একটি বড় অংশ এবং ডান দিকের কিডনিরও সন্ধান মেলেনি। কী কারণে খুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পারিবারিক অশান্তি ছিল বলে দাবি বাড়ির মালিকের। তিনি দাবি করেন, বিমলা ঝাড়ফুঁক ও তন্ত্রসাধনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।