ওঙ্কার ডেস্ক: সম্প্রতি মণিপুরে নাগাদের সঙ্গে কুকিদের নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে অন্তত ৫১ জন কুকি পড়ুয়াকে উদ্ধার করল পুলিশ। মণিপুরের নাগা-প্রধান এলাকা উখরুল জেলার একটি স্কুল থেকে তাদেরকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
উখরুল জেলার লিটান সারেখং এলাকায় কুকিদের সঙ্গে নাগাদের সংঘর্ষের সময় প্রায় ৩০টি বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে উখরুলে এই সংঘর্ষ চলছে। এক বিবৃতিতে পুলিশ জানিয়েছে, ‘সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে জেলা পুলিশ উখরুলের জওহর নবোদয় বিদ্যালয় রামভা স্কুলের ৫১ জন ছাত্রকে সরিয়ে নিয়ে কাংপোকপি জেলার জেএনভিতে যাওয়ার জন্য সাইকুল থানায় হস্তান্তর করেছে।’ পুলিশ জানিয়েছে, ৫১ জন পড়ুয়ার মধ্যে ৩১ জন ছাত্র এবং ২০ জন ছাত্রী রয়েছে। তাদেরকে কুকি-প্রধান জেলা কাংপোকপিতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সকল সম্প্রদায়কে সংযম বজায় রাখার জন্য অনুরোধ করেছে। সেই সঙ্গে গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আবেদন জানানো হয়েছে প্রশাসনের তরফে।
উল্লেখ্য, ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় লিটানে কুকি ও নাগা গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। প্রায় তিন বছর ধরে, মণিপুর মেইতেই এবং কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে জাতিগত হিংসায় উত্তাল। ২০২৩ সালের মে মাসে মেইতেই সম্প্রদায়ের তফসিলি উপজাতির মর্যাদার দাবির প্রতিবাদে পার্বত্য জেলাগুলিতে ‘উপজাতি সংহতি মার্চ’ আয়োজনের পর উত্তর পূর্বের রাজ্যে অস্থিরতা শুরু হয়। সংঘর্ষে কম করে ২৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে, ঘরছাড়া হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ।
