ওঙ্কার ডেস্কঃ এক দেশ-এক ভোট। ২০২৯-এই কার্যকর হয়ে যাবে এই বিল! সেই সম্ভাবনাই যেন উজ্জ্বল হয়ে উঠল। গোয়ায় দু’দিনের বৈঠক শেষে এমনই ইঙ্গিত দিলেন ওই বিল সংক্রান্ত যৌথ সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পি পি চৌধুরী। তিনি বলছেন, “দেশের ৯৯ শতাংশ মানুষই চাইছে দ্রুত এক দেশে এক ভোট চালু হোক। ২০২৯ সালের মধ্যে ওই আইন কার্যকর করা সম্ভব।”
পিপি চৌধুরী জানাচ্ছেন, “দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নাগরিক সমাজের ৯৯ শতাংশ প্রতিনিধিই চাইছেন, ২০২৯ থেকে ‘এক দেশ-এক ভোট’ নীতি কার্যকর করা হোক। ‘এক দেশ–এক ভোট’ নীতি লাগু হলে কমপক্ষে ৭ লক্ষ কোটি টাকা প্রত্যক্ষ সাশ্রয় হতে পারে। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশের সার্বিক বিকাশের জন্য খরচ করা হলে তা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য কার্যকরী হবে।”
জানা গিয়েছে, ওই নয়া নীতি চালু হলে সেটা দুটি ধাপে হবে। প্রথমে লোকসভা ও সব রাজ্যের বিধানসভা ভোট একসঙ্গে হবে। তারপর ১০০ দিনের মধ্যে সব পঞ্চায়েত ও পুরসভায় ভোট হবে।
প্রশ্ন উঠছে, একসঙ্গে লোকসভা এবং সব রাজ্যের ভোট কীভাবে সম্ভব? যৌথ সংসদীয় কমিটির প্রধান বলছেন, বিধানসভা নির্বাচনগুলিকে লোকসভার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হবে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, ২০৩০ থেকে ২০৩৩ পর্যন্ত যে সব রাজ্যের নির্বাচন হওয়ার কথা সেই রাজ্যগুলিকে অল্প মেয়াদি বিধানসভার নির্বাচন করানো হবে। এবং ২০৩৪ সালে লোকসভার সঙ্গে ফের নির্বাচন হবে।
উল্লেখ্য, ‘এক দেশ, এক ভোট’ বিলটি বর্তমানে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে। ওই কমিটি দেশের প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এবং বিশিষ্টদের মতামত নিচ্ছে। কমিটির মাথায় বিজেপি সাংসদ পি পি চৌধুরী। আগে তিনি জানান, ২০৩৪ সালের আগে এক দেশ-এক ভোট নীতি কার্যকর হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু শনিবার তিনি হঠাৎই অবস্থান খানিকটা বদলে নিয়েছেন।