ওঙ্কার ডেস্ক: হাড়হিম করা ঘটনা মহারাষ্ট্রের নাগপুরে। ১৬ বছরের কিশোরীকে প্রায় তিন মাস ধরে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ করে ৩০ ঘন্টা ধরে ধর্ষণ করার অভিযোগ এক যুবকের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, তার গলায় ও গোপনাঙ্গে ব্লেড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম নির্ভয় ওরফে আকাশ মাধব পাখারে। থানের বাসিন্দা ওই যুবকের বয়স ১৯ বছর। নৃশংসভাবে ওই কিশোরীকে নির্যাতন করেছিল সে। কুকুরের চাবুক দিয়ে মেয়েটিকে মারধর করার পাশাপাশি গলা, কবজি ও গোপনাঙ্গে ছুরি বা ব্লেড দিয়ে ২০ বার আঘাত করেছে অভিযুক্ত।
পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, নির্যাতিতা উচ্চপদস্থ এক সরকারি কর্তার মেয়ে। ৩ আগস্ট ওই কিশোরীকে নাগপুরের দিঘোরি এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করে হুদকেশ্বর পুলিশ। অভিযুক্ত ‘আকাশ মেহরা’ ছদ্মনামে একটি ভুয়া ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল ব্যবহার করত। সমাজ মাধ্যমে ওই কিশোরীর সঙ্গে আলাপ হয় তার। মেয়েটির ব্যক্তিগত ছবি হাতিয়ে নেওয়ার পর, ছবিগুলো ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে নিজের বশে নিয়ে আসে। তিন মাস ধরে মেয়েটিকে ডিজিটাল নজরবন্দি করে রেখেছিল অভিযুক্ত। সারাক্ষণ ভিডিও কলের মাধ্যমে তার গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করত। কখনও তাকে বিছানার নিচে শুতে বাধ্য করত, আবার কখনও ছাদে যেতে বাধ্য করত। ২ আগস্ট কিশোরী নিখোঁজ হয়ে যায়। রিপোর্ট অনুসারে, তাকে ৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বেঁধে রাখা হয়েছিল। এই সময়ের মধ্যে তাকে বারবার ধর্ষণ করা হয়। কুকুরের চাবুক দিয়ে মারধর করা হয় এবং ব্লেড দিয়ে ২০ বার আঘাত করা হয়।