ওঙ্কার ডেস্ক: বিজেপির দলীয় অফিস নির্মাণের জন্য হরিয়ানার কর্নালে কেটে ফেলা হয়েছে ৪০টি গাছ। আর এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট ভর্ৎসনা করল হরিয়ানা সরকারকে। সর্বোচ্চ আদালত বিষয়টিকে ‘জঘন্য’ বলেও মন্তব্য করেছে। পাশাপাশি কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিচারপতি।
গাছ কাটার বিষয়টি নিয়ে প্রথমে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কর্নেল দাবিন্দর সিং রাজপুত। তিনি ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। হাইকোর্টে সেই মামলা খারিজ হয়ে যাওয়ার পর তিনি সুপ্রিম কোর্টে যান। ৭৯ বছর বয়সী ওই প্রাক্তন সেনার অভিযোগ, আইন না মেনে হরিয়ানা সরকার কর্নালে পার্টি অফিস করার জন্য বিজেপিকে জমি দিয়েছে।
রাজপুতের আরও অভিযোগ, এইচএসভিপি-র কাছ থেকে কেনা ওই জমির পাশে রাস্তা বানানোর জন্য ৪০টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এদিন বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ হরিয়ানার রাজ্য সরকার এবং নগরোন্নয়ন সংস্থাকে ধমক দেয়। তীব্র ভর্ৎসনা করে সর্বোচ্চ আদালত প্রশ্ন তোলে, ‘এভাবে গাছ কেটে ফেলার কারণ কী? রাজনৈতিক দলের অফিস অন্য কোথাও করা যেত না?’ আদালতে হরিয়ানা সরকারের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল বিক্রমজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়ে এবং বিধি মেনেই কাজ করা হয়েছে। আদালতে তাঁর সাফাই যতগুলি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে সমান সংখ্যক গাছ লাগানো হবে। এর পর বিচারপতি বলেন, ‘৪০টি গাছের ক্ষতি কীভাবে সামাল দেওয়া যাবে? এই বিষয়ে ব্যাখ্যা না দিলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
