ওঙ্কার ডেস্ক: ভিন রাজ্যে গণধর্ষণের শিকার হলেন পশ্চিমবঙ্গের ৩০ বছর বয়সী এক আদিবাসী তরুণী। কর্নাটকের মাইসুরু জেলায় ওই মহিলাকে অপহরণ করে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, টি নরসীপুরার এক বাসস্ট্যান্ডের কাছ থেকে ওই মহিলাকে গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। এরপর মুগুরু গ্রামের কাছে একটি লজে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানে তাঁর উপর নির্যাতন চালানো হয়। অভিযোগ, ওই মহিলার কাছ থেকে নগদ টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে তাঁকে বাড়ির কাছে নামিয়ে দিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের নাম কিরণ, কিশোর ও রায়ান। তাঁরা সকলেই টি নরসীপুরার বাসিন্দা। এই গণধর্ষণের ঘটনায় ১৯ জুলাই একটি এফআইআর দায়ের হয়।
এক আধিকারিক জানান, ১৮ ও ১৯ জুলাই মধ্যবর্তী রাতে এই ঘটনাটি ঘটেছিল। তদন্তে নেমে অভিযুক্ত তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এফআইআর অনুসারে, ওই তরুণী এক বন্ধুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মাইসুরু শহরে গিয়েছিলেন। বাসে করে টি নরসীপুরায় ফিরছিলেন তিনি। বাসস্ট্যান্ডের কাছে এক গাড়ির চালক তাঁকে একটি কাগজ দেখিয়ে ঠিকানা জানতে চান। সেই ঠিকানাটি কন্নড় ভাষায় লেখা ছিল। তাই তরুণী জানান, তিনি তা পড়তে পারছেন না। অভিযোগে বলা হয়, এরপর গাড়ির পেছনের আসনে বসে থাকা দুজন গাড়ির দরজা খুলে জোর করে তাঁকে ভেতরে টেনে নেন। এফআইআর-এ আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা তাঁকে গুঞ্জা নরসিংহস্বামী মন্দির হয়ে মুগুরু গ্রামের দিকে নিয়ে যায়। বাঁচার জন্য নির্যাতিতা চিৎকার করলে তাঁকে খুনের হুমকি দেয় অভিযুক্তরা। অভিযোগ, এরপর ওই তিন ব্যক্তি তাঁকে মুগুরু গ্রামের কাছে একটি অজানা লজের ঘরে নিয়ে গিয়ে তাঁকে গণধর্ষণ করা হয়। অভিযুক্তরা নির্যাতিতার কাছ থেকে নগদ ৫,০০০ টাকা ও দুটি মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। গোটা ঘটনায় নির্যাতিতার জবানবন্দি রেকর্ড করার পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।