ওঙ্কার ডেস্ক: চার মাসের দাম্পত্য সম্পর্ক। কিন্তু কলহের কারণে স্ত্রীকে গলা কেটে খুন করলেন উত্তরপ্রদেশের এক যুবক। জীবনসঙ্গীকে প্রাণে মেরে ফেলার পর নিজেও আত্মহত্যা করেছেন ওই তরুণ। ঘটনাটি ঘটেছে, কুশিনগর জেলার তারিয়া সুজান থানা এলাকায়।
পুলিশের তরফে সোমবার জানানা হয়েছে, ওই যুবকের নাম অরুণ শর্মা (২২), তরুণীর নাম নেহা (২০)। তারিয়া সুজানের বাধাই টোলার বাসিন্দা অরুণ এবং নেহা বিষ্ণুপুরার দলিত সম্প্রদায়ের এক তরুণী। তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। দুজনেই ভালবেসে পরস্পরকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু চার মাস আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেও দুজনের মধ্যে কোনও কারণে মনোমালিন্য হয়।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, পরিবারের অমতে অরুণ এবং নেহা গত বছর নভেম্বরে একটি মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করেন। তবে, পরে অরুণের পরিবার এই বিয়ে মেনে নেয়। এর পর ওই যুবক স্ত্রীকে নিজের পৈতৃক বাড়িতে নিয়ে এসে তাঁর সঙ্গে বসবাস শুরু করেন। স্থানীয়রা জানান, রবিবার রাত ৯টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে।
ওই সময় অরুণ ও নেহার মধ্যে কোনও বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। এর পর পরিবারের লোকজন পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। নেহা অন্য একটি ঘরে চলে যান। তার পিছনে যান অরুণও। অভিযোগ, একটি ধারালো কাস্তে দিয়ে স্ত্রীর গলা কেটে দেন অরুণ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় নেহার। পরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন অরুণ। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ সুপার (এসপি) কেশব কুমার সাংবাদিকদের বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। তদন্ত চলছে।
