ওঙ্কার ডেস্ক: দোষ ছিল মন্দিরে ঢোকা তাঁর জেরে মহিলাকে অর্ধনগ্ন করে গলায় জুতোর মালা পরিয়ে ঘোরানো হল এলাকায়। ভয়ংকর এই ঘটনা ঘটেছে মহারাষ্ট্রের উলহাসনগরের ওয়াঘরি এলাকায়। ঘটনার ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই নিন্দার ঝড় উঠেছে। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় এক রাজপুত পরিবারকে একঘরে করে দিয়েছিল স্থানীয় এক খাপ পঞ্চায়েত। ওই পরিবার কে স্থানীয় মন্দির থেকে একঘরে করে দেওয়া হয়েছিল। ঘটনার দিন মন্দিরে ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন চলছিল। সেখানে ওই রাজপুত পরিবারের এক যুবক এসে উপস্থিত হয়, এবং তাঁদের উপর জারি হওয়া নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানান। বলেন, তাঁরা কোনও অন্যায় করেননি ফলে মন্দিরে ঢোকায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা উচিত নয়। স্থানীয়দের উপস্থিতিতে জোর করে মন্দিরে ঢোকেন তিনি। এই ঘটনায় যুবকের উপর ক্ষুব্ধ হন একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের সদস্যরা।
অভিযোগ, এরপরে ওই যুবককে মন্দির থেকে ফেরার পথে রড লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এরপর তাদের বাড়িতে গিয়ে তাদের বাড়ির সদস্যদের বেধড়ক মারধর করা হয়। তাদের কে হুমকি অ দেওয়া হয় যদি তাঁরা থানায় গিয়ে অভিযোগ করা হয়। কান্তা প্রেম রাজপুত (৫০), তাঁর বোন গীতা রাজপুত এবং মেয়ে অঞ্জলিকে নিয়ে থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে রাস্তায় তাঁদের আটকানো হয়। তাঁদের পোশাক ছিঁড়ে, চুল কেটে, গলায় জুতোর মালা পরিয়ে ২ কিলোমিটার পথ হাঁটানো হয়। এমনকি অভিযুক্তদের পা ছুঁয়ে ক্ষমা চাইতেও বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ। পরবর্তী কালে ওই পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পলাতক দোষীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।