ওঙ্কার ডেস্ক: ভোটমুখী বিহারে বড় ঘোষণা হেমন্ত সোরেনের ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার। ইন্ডিয়া বা এনডিএ জোটে সামিল না হয়ে তারা বিহারে একলা চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা নির্বাচন একাই লড়বে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এর ফলে বিরোধী মহাজোটের মধ্যে যে ফাটল তৈরি হয়েছে তা প্রকাশ্যে চলে এলো। দলের সাধারণ সম্পাদক সুপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমরা খুব জোরালোভাবে লড়ব। কোনও ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ লড়াইয়ে আমরা যাব না। শত্রু মানেই শত্রু।’
ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার তরফে তিনি আরও বলেন, ‘গত ১০ বছর ধরে বিহারে আমাদের কর্মীরা লড়াই করছে। তাই তাঁদের জন্য, আমরা এই নির্বাচনে লড়ব। আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকেও আমাদের উপর কিছুটা চাপ রয়েছে। সে কারণে আমরা বিহার নির্বাচনে একাই লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ উল্লেখ্য, ইন্ডিয়া ব্লকের অংশ জেএমএম। দলটি আশা করেছিল, বিহারের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে আসন পাবে। কিন্তু এখনও কংগ্রেস এবং আরজেডিঙ্গাসন সমঝোতা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছোতে পারেনি।
প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডে ক্ষমতাসীন জোটের অংশ কংগ্রেস এবং লালু প্রসাদ যাদবের আরজেডি। কংগ্রেসের বর্ষীয়াণ নেতা পবন খেরা বলেন, ‘সঠিক সময়ে মুখ্যমন্ত্রী পদের প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।’ দুই দলের মধ্যে আসন সমঝোতার সম্ভাবনা কম বলে ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, ‘যেসব আসনে একাধিক মহাজোটের প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন, সেখানে এক থেকে দুই দিনের মধ্যে এক জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হবে।’ ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার তরফে জানানো হয়েছে, দল ছয়টি বিধানসভা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে – চাকাই, ধামদহ, কাটোরিয়া (এসটি), মণিহারি (এসটি), জামুই এবং পিরপৈন্তি। ২৪৩ আসন বিশিষ্ট বিহার বিধানসভার নির্বাচন আগামী ৬ নভেম্বর এবং ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। জেএমএম যে সমস্ত আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেগুলির সবকটিতেই দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে। বিহারে ভোট গণনা এবং ফল প্রকাশ করা হবে ১৪ নভেম্বর।
