ওঙ্কার ডেস্কঃ ১২ ফেব্রুয়ারি ভারত বনধ। ১০টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের যৌথ মঞ্চ এই বনধ ডেকেছে। সূত্রের খবর, এই ভারত বনধকে সমর্থন জানিয়েছে কৃষক সংগঠন সংযুক্ত কিষান মোর্চাও। ট্রেড ইউনিয়নের যৌথ মঞ্চ-এর দাবি, এবার প্রায় ৩০ কোটি শ্রমিক রাস্তায় নামবেন।
কেন্দ্রের শ্রম সংস্কার ও বৃহত্তর অর্থনৈতিক নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই বনধের ডাকা হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে সংগঠনগুলি। সূত্রের খবর, এই যৌথ ডাক প্রথম দেওয়া হয়েছিল ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি। কেন্দ্রের “শ্রমিক বিরোধী, কৃষক বিরোধী এবং দেশবিরোধী কর্পোরেটপন্থী নীতির” বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জানাতেই এই আন্দোলন। অল ইন্ডিয়া ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক আমরজিৎ কউর জানিয়েছেন, এ বার ৩০ কোটির কম শ্রমিক নামবেন না রাস্তায়। গত বছরের ৯ জুলাই ধর্মঘটে যোগ দিয়েছিলেন প্রায় ২৫ কোটি। এ বার তার থেকেও বড় পরিসরে ধর্মঘট হবে ৬০০ জেলাজুড়ে।
যৌথ মঞ্চ একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, মনরেগা পুনর্বহালের দাবিতে কৃষিশ্রমিকদের যৌথ ফোরামও আন্দোলনে শামিল হয়েছে। অনেক জায়গায় শিক্ষার্থী ও যুব সম্প্রদায়ও যোগ দিয়েছে। সাধারণ নাগরিকরাও নানাভাবে সমর্থন জানাচ্ছেন বলে দাবি ফোরামের।
আন্দোলন ডাকা যৌথ মঞ্চে রয়েছে INTUC, AITUC, HMS, CITU, AIUTUC, TUCC, SEWA, AICCTU, LPF এবং UTUC। সূত্রের খবর, বেশিরভাগ শিল্প ও দফতরে ধর্মঘটের নোটিস পাঠানো হয়েছে। যৌথ মঞ্চের দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে, চারটি শ্রম আইন ও সংশ্লিষ্ট নিয়মাবলি প্রত্যাহার, ড্রাফ্ট সিড বিল প্রত্যাহার, ইলেকট্রিসিটি অ্যামেন্ডমেন্ট বিল বাতিল, শান্তি আইন প্রত্যাহার, মনরেগা পুনর্বহাল, বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার ও জীবিকা মিশন গ্রামীন আইন, ২০২৫ বাতিল।
বনধের ফলে বড় শহরের বাজার ও দোকানপাট, পাবলিক সেক্টর, ব্যাঙ্ক, একাধিক সরকারি দফতর, সরকারি-বেসরকারি পরিবহণ, স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকতে পারে। এছাড়া হাসপাতাল, বেসরকারি অফিস, বিমানবন্দর, এটিএম ও অন্যান্য পরিষেবা মিলবে। দেশজুড়ে বনধের ফলে বহু জায়গায় স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হতে পারে।
