ওঙ্কার ডেস্ক: রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য ভারতের পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক চাপিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। আর এর ফলে নয়াদিল্লির সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক ভাঙনের মুখে বলে দাবি করলেন প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি। প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় বার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মধ্যে অন্যতম বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্যে শুল্ক চাপানো। ভারতের পণ্যেও ২৫ শতাংশ হারে শুল্ক চাপিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শুধু তাই নয় রাশিয়ার সঙ্গে নয়াদিল্লি বাণিজ্য করার কারণে ভারতের উপর আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন ট্রাম্প। সব মিলিয়ে ৫০ শতাংশ হারে শুল্ক চাপানো হয়েছে ভারতের পণ্যে। এর পর থেকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।
ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে নিকি হ্যালি বলেন, ‘ভারতকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নয়, বরং অংশীদার হিসেবে দেখা উচিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। চিনের প্রভাব রুখতে হলে ওয়াশিংটনের উচিত ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা। সেটাই বর্তমানে অত্যন্ত জরুরি।’ তিনি জানান, শুল্ক ইস্যুতে বা ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে মার্কিন হস্তক্ষেপের মতো বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হলে তা আদতে সুখকর হবে না।
উল্লেখ্য, পহেলগাঁও কাণ্ডের পর গত ৭ মে অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালিয়েছিল ভারত। তার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সামরিক সংঘাত শুরু হয়। অবশেষে দুই দেশ ১০ মে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ থামাতে ওয়াশিংটন হস্তক্ষেপ করেছিল বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। এক বার নয় একাধিকবার এই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও ভারতের তরফে ট্রাম্পের এই দাবিকে অস্বীকার করা হয়েছে।
