ওঙ্কার ডেস্ক: ফের ওড়িশার বুকে আগুনে পুরে কিশোরীর মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছে। ঘটনাটি ঘটছে ওড়িশার বরগড় জেলার একটি গ্রামে। সোমবার সকালে ঐ গ্রামের একটি ফুটবল খেলার মাঠে কিশোরীর অর্ধদগ্ধ শরীর দেখতে পায় স্থানীয়রা। তৎক্ষণাৎ তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করে চিকিৎসকেরা।
পুলিশ সুত্রে খবর, ঐ কিশোরী এলাকার এক সরকারি আবাসিক স্কুলে পরাশুনা করত। কিভাবে তাঁর গায়ে আগুন লেগেছিল কে বা কারা এই কান্ডের নেপথ্যে আছে সে সব এখন জানায়নি পুলিশ। দেহ ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে ইতিমধ্যে। পুলিশ পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে পরিবারের লোকজনদেরও।
অপরদিকে পরিবারের দাবি, ঐ কিশোরী নিজেই নিজের গাইয়ে আগুন লাগায়। তাদের দাবি বেশ কিছু দিন যাবত তাঁর শারিরিক অসুস্থার কারনে আবাসনে যেতে পারেনি। তাঁর কোন এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে বিদ্যালয় যাতায়ত করত। আপাতত অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ মৃতার ফোন উদ্ধার করেছে এবং তার সমস্ত তথ্য যাচাই করছে।
প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক মাসে ওড়িশায় মহিলাদের আগুনে পুরিয়ে মেরে ফেলার ঘটনা সামনে এসেছে। বালেশ্বরে এক কলেজে অধ্যাপকের যৌন হেনস্থার বিরুদ্ধে সেচ্চার হয়ে নিজেই নিজের গায়ে আগুন ধরিয়ে আত্মঘাতী হয়েছিল এক ছাত্রী। এর পর পুরীর এক মন্দিরে আর এক কিশোরী অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যর ঘটনা সামনে আসে। পরে দিল্লির এমস্ এ মৃত্যু হয় তাঁর। আগের সপ্তাহেই কেন্দ্রপারায় এক যুবতী নিজের বাড়িতেই গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়। পরিবার সুত্রে খবর প্রেম জনিত কারনই ছিল নেপথ্যে। আবারও সেই ওড়িশাতে কিশোরী আগুনে পুরে মৃত্যু জল্পনার তৈরি করেছে।
