ওঙ্কার ডেস্ক: দু সপ্তাহ ধরে লড়াইয়ের শেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল ওড়িশার পুরীর অগ্নিদগ্ধ কিশোরী। খুন করার উদ্দেশে তার গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। যদিও মেয়ের মৃত্যুর পর খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মৃতার বাবা। তিনি এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, তাঁর মেয়ে মানসিক অবসাদে ভুগছিল। সেই কারণে আত্মহত্যা করেছে।
মৃতার বাবা একটি ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘আমার মেয়ে মানসিক চাপের কারণে আত্মহত্যা করেছে। ও যে মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল, তা সহ্য সীমার বাইরে ছিল। আমি কেবল এটুকু বলব, ওড়িশা সরকার আমার ও আমার পরিবারের পাশে থেকেছে। সবার কাছে আমার অনুরোধ, এই ঘটনাকে কেউ যেন রাজনৈতিক রঙ না লাগায়। মেয়ের আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করুন।’ যদিও মেয়ে কী কারণে মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল সে বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি।
ঠিক কী ঘটেছিল? গত ১৯ জুলাই পুরীর বালাঙ্গা এলাকায় ওই কিশোরীকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা তাকে ভুবনেশ্বর এইমসে ভর্তি করেছিলেন। তার দেহের ৭৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। অবস্থার অবনতি হওয়ায় ২০ জুলাই তাকে এয়ারলিফ্ট করে দিল্লির এইমসে নিয়ে যাওয়া হয়। অবশেষে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ১ আগস্ট ওই কিশোরীর মৃত্যুর খবর জানান ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাজি। এই ঘটনা নিয়ে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেছিলেন, মেয়েটির মুখে, গলায় কাপড় বাঁধা ছিল, তার হাতও বাঁধা ছিল। তিন জন মিলে তাকে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল বলে সেই সময় জানিয়েছিল সে।’ এই ঘটনায় পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, তদন্ত প্রায় শেষের দিকে। কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে মেয়েটি কী ভাবে আগুনে পুড়ে গেল সে বিষয়ে কিছু বলেনি পুলিশ।
