ওঙ্কার ডেস্ক: ২০২৩ সালের মহিলা সংরক্ষণ বিল কার্যকর করার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখতে চলেছেন বিরোধীরা। তারা যে মহিলা সংরক্ষণের বিরুদ্ধে নয়, তা বোঝাতে এই চিঠি লেখার প্রস্তুতি চলছে বলে সূত্রের খবর। রিপোর্ট অনুসারে, ইন্ডিয়া জোটের দলগুলো মহিলা সংরক্ষণের প্রতি তাদের সমর্থন জানাতে দেশজুড়ে সাংবাদিক বৈঠক করবে। তারা এই অভিযোগও মোদী সরকারের বিরুদ্ধে তুলতে পারে, সরকার সংবিধান সংশোধনের নামে দেশের রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
২০২৯ সালে লোকসভায় এবং রাজ্যের বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ বাস্তবায়নের জন্য এবং লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য সংবিধান সংশোধনী বিলটি সংসদের নিম্নকক্ষে ভোটাভুটিতে শুক্রবার পরাজিত হয়। ২৯৮ জন সাংসদ বিলটির পক্ষে ভোট দিলেও ২৩০ জন সাংসদ এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। ভোটদানকারী ৫২৮ জন সাংসদদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পক্ষে পড়লে তবেই বিলটি পাশ হতো। সেক্ষেত্রে সমর্থনের জন্য মোট ভোটের প্রয়োজন ছিল ৩৫২।
বিরোধীদের মতে, লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ব্যর্থ হওয়া কার্যত মোদী সরকারের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক ধাক্কা। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বলেন, সরকারের বিলটি সংবিধানের ওপর একটি আঘাত ছিল। সংসদের বাইরে তিনি বলেন, “এটি সংবিধানের ওপর একটি আক্রমণ, আমরা তা পরাজিত করেছি।” তিনি আরও বলেন, “আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি এটি কোনো মহিলা সংরক্ষণ বিল ছিল না, বরং ভারতের নির্বাচনী কাঠামো পরিবর্তনের চেষ্টা ছিল।” রাহুল গান্ধী বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী যদি মহিলা সংরক্ষণ বাস্তবায়ন করতে চান, তবে তাঁর উচিত ২০২৩ সালের আইনটি আনা এবং আজ থেকেই তা কার্যকর করা।