বাবলু প্রামানিক, বারুইপুর: ভোট চুরির অভিযোগকে হাতিয়ার করে সংগঠন বাড়ানোর চেষ্টায় কংগ্রেস। রবিবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ ২৪ পরগনায় প্রায় এক হাজারের বেশি কর্মী বিভিন্ন দল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। যোগদানকারীদের মধ্যে তৃণমূল, সিপিএম, আইএসএফ এবং বিজেপি কর্মীরাও রয়েছেন।
এদিন বারুইপুরে সাংবাদিক বৈঠক করেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা কংগ্রেসের সভাপতি তপন মণ্ডল। সঙ্গে ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক আব্দুর রহমান মোল্লা সহ জেলা নেতৃত্ব। তপনবাবুর দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে হরিয়ানা সহ যেসব রাজ্যে ভোট হয়েছে, সেখানে ভোট চুরি হয়েছে, তা তথ্য দিয়ে প্রমাণ করেছেন রাহুল গান্ধী। একটি ইংরেজি দৈনিকের সাংবাদিকও কমিশনের ভিডিও নিয়ে তথ্য সামনে এনেছেন। এর প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিভিন্ন দল কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে পথে নেমেছে। তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহযোগিতায় এই কাজ হয়েছে।
তিনি জানান, এর প্রতিবাদে আগামী ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে প্রদেশ কংগ্রেসের ডাকে প্রায় ১০ লক্ষ কর্মীর জনসভা হবে।
এদিন ক্যানিং ১ ও ২ নম্বর ব্লক, দুর্গাপুর, বেলেগাছি, বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। যোগদানকারীদের একজনের বক্তব্য, এতদিন অন্য দলের হয়ে কাজ করেছেন, কিন্তু রাহুল গান্ধী যেভাবে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন এবং কংগ্রেসকে মজবুত করছেন, সেই কারণেই তাঁরা কংগ্রেসে এলেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আসন্ন পুরসভা ও কর্পোরেশন ভোট নিয়েও মুখ খোলেন তপন মণ্ডল। ফেব্রুয়ারিতে পুরভোট হওয়ার কথা। সংগঠন কতটা প্রস্তুত, সব আসনে প্রার্থী দিতে পারবে কি না, এই প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমরা পুরসভার সব আসনেই প্রার্থী দিতে পারব। যদি দু-একটি আসনে কম পড়ে, তাহলে নির্দল প্রার্থীকে সমর্থন করা হবে। কলকাতা কর্পোরেশন সহ অন্যান্য পুরসভাতেও আমরা লড়াইয়ের জন্য তৈরি হচ্ছি।”