ওঙ্কার ডেস্ক : পাকিস্তানি সমাজ মাধ্যমে বেশ রটেছে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর স্কোয়াড্রন লিডার শিবাঙ্গী সিং পাকিস্তানে বন্দী। বলা হয়েছে, অপারেশন সিন্দুরের সময় তাঁর যুদ্ধবিমানটি গুলি করে নামায় পাক সেনা। তারপর তাঁকে যুদ্ধবন্দী করা হয়। দিল্লি অবশ্য ইতিমধ্যে এই ভিডিওটিকে ভুয়ো বলে জানিয়ে দিয়েছে।
বারাণসীর মেয়ে, বর্তমানে স্কোয়াড্রন লিডার শিবাঙ্গী সিং বুধবার সকালে হরিয়ানার আম্বালা বিমান ঘাঁটিতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা যায় এক ফ্রেমে। তাঁরা গিয়েছিলেন রাফালের নতুন জেনারেশনের বিমান পরিদর্শন করতে। সেখানে তাঁর উপস্থিতি খুবই স্বপ্রতিভ দেখাচ্ছিল। হাসি মুখে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ছবি দিতেও দেখা যায়।
অথচ পাক সমাজ মাধ্যমে তাঁর যুদ্ধবন্দীর খবর চাউর হয়। এতে বিভ্রান্ত হন অনেকেই। খবরটি নজরে আসে দিল্লির। ভিডিওটি সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারত তার দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সরকারের ফ্যাক্ট-চেক উইং স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়, “পাকিস্তানপন্থী সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল দাবি করেছে যে ভারতীয় বিমান বাহিনীর একজন মহিলা পাইলট, স্কোয়াড্রন লিডার শিবাঙ্গী সিং, পাকিস্তানে ধরা পড়েছেন। এই দাবিটি ভুয়া !”

পহেলগাঁওর জঙ্গি হামলার পর ভারত প্রত্যাঘাত এনেছিল। অপারেশন সিঁদুর অভিযানে নাস্তানাবুদ হয় পাকিস্তান। ইসলামাবাদের অনুরোধে শেষ পর্যন্ত দিল্লি যুদ্ধ বিরোতিতে সম্মতি জানায়। কিন্তু পাকিস্তানে এই সংঘাতে হার মানাকে নানাভাবে জয় হিসেবে দেখাতে চেয়েছে। যা অশিক্ষা ও নির্লজ্জের বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করেছে ওয়াকিবহাল মহল। অপারেশন সিঁদুরের প্রতাপ যে পাকিস্তানের সেনা থেকে সাধারণ নাগরিক মেনে নিতে পারছে না সাম্প্রতিক এই ভিডিও তারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে। পাকিস্তান এও দাবি করেছে যে তারা ভারতের ৬টি যুদ্ধ বিমান গুলি করে নামিয়েছে যার মধ্যে রয়েছে ফ্রান্সের তৈরি একটি সদ্য কেনা ও ব্যয়বহুল রাফায়েল যুদ্ধবিমানও, যা আদৌ সত্য নয় বলে জানিয়েছিল ভারতীয় সেনা। যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে স্কোয়াড্রন লিডার শিবাঙ্গী সিং-এর যুদ্ধবন্দীর রটনা। তাঁর বিমানটি পাকিস্তানে নামিয়ে শিবাঙ্গীকে বন্দী করা হয়েছে এমন গুজব রটানো হয়েছে পাক সমাজ মাধ্যমে।
