ওঙ্কার ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর জ্বালানি নিয়ে গোটা বিশ্বে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভারতেও অনেকে অভিযোগ করছিলেন আবেদন করা সত্ত্বেও গ্যাস মিলছে না বলে। এই প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বড় নির্দেশিকা জারি করা হল। যারা সুযোগ থাকা সত্ত্বেও নলবাহিত রান্নার গ্যাস নিচ্ছেন না, তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সুযোগ থাকা সত্ত্বেও নলবাহিত রান্নার গ্যাস বা পিএনজি না নিলে ৩ মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের এলপিজি বন্ধ করে দেওয়া হবে। পর্যবেক্ষকদের মতে, সঙ্কটকালীন পরিস্থিতিতে রান্নার জন্য নলবাহিত গ্যাস বা পিএনজি ব্যবহারে উৎসাহ দিচ্ছে কেন্দ্র। ইতিমধ্যে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের বিশেষ সচিব সুজাতা শর্মা একাধিক বার অনুরোধ করেছেন দেশবাসীকে পিএনজি-র গ্রাহক হওয়ার জন্য। কিন্তু বাস্তবতা হল এখনও পর্যলন্ত দেশের বিস্তীর্ণ অংশেই পিএনজি সুবিধা নেই। তবে যেখানে এই সুবিধা রয়েছে সেখানকার মানুষকে এই পদ্ধতির গ্রাহক হওয়ার জন্য সরকারের তরফে কড়াকড়ি করা হচ্ছে। কেন্দ্রের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যে সমস্ত বাড়িতে পিএনজি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে, সেখানে এলপিজি-র পরিবর্তে তা ব্যবহার করতে হবে। যাঁরা তা করবেন না, তাঁদের এলপিজি-র জোগান তিন মাসের মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, দেশের মোট চাহিদার ৬০ শতাংশ এলপিজি বিদেশ থেকে আমদানি করে কেন্দ্র। তবে পিএনজি পরিষেবায় এখনও অন্য দেশের উপর নির্ভর করতে হয় না। এ ক্ষেত্রে এই গ্যাস দেশেই উৎপন্ন হয়। বহু উৎস থেকে তা পাওয়া যায়। সঙ্কট কালে এলপিজির বিকল্প হিসেবে পিএনজিকে গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার।