ওঙ্কার ডেস্ক: বদলের বাংলায় পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগ। তৃণমূলের ভরাডুবির পর পদত্যাগ করেছিলেন কাঁচরাপাড়া পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জেনি শর্মা কেওট। অভিযোগ, তাঁর স্বামী বিরজু কেওটকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন তাঁকে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও এ বিষয়ে পুলিশের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
তৃণমূল জমানায় তোলাবাজি-সহ বিভিন্ন অভিযোগ ছিল বিরজুর বিরুদ্ধে। সেই সমস্ত অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল হালিশহর থানার পুলিশ। শুক্রবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। জেনির দাবি, শুক্রবার রাত প্রায় ১০টা নাগাদ তিনি থানায় গিয়ে বিরজুর সঙ্গে দেখা করেন। তখন তিনি সুস্থ ছিলেন। পুলিশের তরফে তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হয়েছিল সেই রিপোর্টে কোনও ধরণের গুরুতর শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ ছিল না। অভিযোগ, শুক্রবার রাতে বিরজুর উপর অত্যাচার করা হয়। হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন জেনি।
যদিও থানা সূত্রের দাবি, লকআপে বিরজু অসুস্থ হয়ে পড়েন শুক্রবার রাতে। এর পর চিকিৎসার জন্য তাঁকে দ্রুত কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে। জেনির দাবি, তাঁর স্বামী নিরপরাধ। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।