ওঙ্কার ডেস্ক: হাওড়া পর্ন চক্রের মূল অভিযুক্ত শ্বেতা খানকে গ্রেফতার করল পুলিশ। শ্বেতার পাশাপাশি আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে পুত্র আরিয়ান খান এবং নাবালিকা কন্যাকে। কলকাতার আলিপুর এলাকা থেকে বুধবার রাতে তাঁকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ সূত্রে খবর, পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে গা ঢাকা দিয়েছিলেন শ্বেতা খান। এমনকি নিজের মোবাইল ফোনও ব্যবহার করছিলেন না তিনি। ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে যোগাযোগ করছিলেন অন্য কারোর ফোন দিয়ে। শুধু তাই নয় নিজের নাবালিকা মেয়েকে এক পরিচিতের কাছে রেখেছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, বুধবার রাতে তাঁকে গ্রেফতার করার আগে দুপুরে শ্বেতাপুত্র আরিয়ান খানকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। পাঁচ দিন ধরে খোঁজাখুঁজি করা হয় মা ছেলেকে। অবশেষে দু’জনকেই পাকড়াও করতে সক্ষম হলেন তদন্তকারীরা।
অন্য দিকে, সোদপুরের যে তরুণীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে শ্বেতা ও তার ছেলের বিরুদ্ধে, সেই নির্যাতিতা বর্তমানে সাগর দত্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পদক্ষেপ করেছে জাতীয় মহিলা কমিশন। রাজ্যের ডিজি রাজীব কুমারকে মঙ্গলবার চিঠি পাঠিয়ে তিন দিনের মধ্যে ‘অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট’ জমা দিতে বলা হয়েছে। তা ছাড়া ‘নির্যাতিতা’র শারীরিক এবং মানসিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, শ্বেতাদের বাঁকড়ার ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালাতে ইতিমধ্যে আদালতের অনুমতি পেয়েছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় ওই ফ্ল্যাটে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, সোদপুরের তরুণীকে এই ফ্ল্যাটে নির্যাতন চালানো হয়েছে।
