ওঙ্কার ডেস্ক : টেনিস খেলোয়াড় রাধিকা যাদব খুনের ঘটনায় নতুন মোড়। পুলিশি জেরায় স্বীকারোক্তি দিয়েছেন তাঁর বাবা দীপক যাদব, পরিকল্পনা করেই মেয়েকে খুন করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, ছেলেকে দুধ আনতে দোকানে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন যাতে কেউ বাধা না দেয়। এরপরই রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে থাকা রাধিকাকে পিছন থেকে একের পর এক গুলিতে ঝাঁঝরা করেন দীপক।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় বাড়িতেই ছিলেন রাধিকা যাদবের মা মঞ্জু যাদব। অথচ তিনি দাবি করেছেন, ঘটনার কিছুই টের পাননি। তাঁর বক্তব্য, সে দিন জ্বর ছিল, তাই ঘরে শুয়ে ছিলেন। পুলিশ সূত্রের খবর, রাধিকাকে গুলি করা হয় দোতলায়। দীপক ছাড়াও মঞ্জু তখন সেই দোতলাতেই ছিলেন। তা সত্ত্বেও গুলি চলার শব্দ বা মেয়ের আর্তনাদ কিছুই তিনি শোনেননি, এই অজুহাত মানতে পারছেন না তদন্তকারীরা। গুরুগ্রাম পুলিশের পিআরও সন্দীপ কুমার জানিয়েছেন “দীপকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, স্ত্রী মঞ্জু এই পরিকল্পনার কথা জানতেন কি না। দীপক সঠিক উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে গিয়েছেন। তাই অনুমান, ঘটনার আঁচ মঞ্জু পেতেই পারেন”।
প্রথমে দাবি করা হয়েছিল, পিছন থেকে তিনটি গুলি করা হয় রাধিকাকে। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে, তাঁর বুকে চারটি গুলির চিহ্ন মিলেছে। এতে আরও জোরালো হচ্ছে পরিকল্পিত খুনের তত্ত্ব। দীপককে আদালত এক দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছে। মঞ্জুর ভূমিকা খতিয়ে দেখতে নতুন করে জেরা হবে বলেই সূত্রের খবর। পুলিশ এই মামলায় পরিবারের অন্য সদস্যদেরও নজরে রেখেছে।
